প্রকাশকালঃ
রবিবার, ২৬ মে, ২০১৩
সস্পাদনায়
Unknown
মুগদা থানার সন্নিকটে বাঁশের ব্রিজে রাতের আঁধারে চলছে নেশার আড্ডা, কতৃপক্ষ নিশ্চুপ
রাতের আঁধারে নেশার আড্ডা
মুগদাপাড়া, রাজধানী ঢাকার নিম্ন-মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত অনেক মানুষের নিরাপত্তার জন্য স্থানীয় সাংসদ সাবের হোসেন চৌধুরি ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাহারা খাতুনের সহযোগিতায় গড়ে ওঠে মুগদা থানা। ইতিমধ্যেই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু সালেহ মাসুদ করিম দায়িত্ব নেওয়ার পর অনেকটাই অপরাধ কমে এসেছে। শুধু এখনো রেহাই পাননি মুগদাপাড়ার কমিউনিটি সেন্টার গলির ভিতরে থাকা বাসিন্দারা। প্রকাশ্যে রাত ১১ টায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে কমিউনিটি সেন্টারের ভিতরে থাকা বাঁশের ব্রিজের এখানে কিছু তরুন গাঁজা সেবন করছে। বিকট গন্ধে ওই মুহুর্তে টিকে থাকা আমার পক্ষে অনেকটাই কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। এলাকার বাসিন্দারা ও স্থানীয় দোকানদাররা সবাই অতিষ্ঠ বাঁশের ব্রিজ এলাকার নেশাগ্রস্থদের উপর। একটাই প্রশ্ন, কোথা থেকে আসে এই এলাকায় মাদক? প্রশ্নের উত্তর বের করার জন্য নেশাগ্রস্থ ভাব নিয়ে মিশে গেলাম ওই সকল নেশাগ্রস্থদের সাথে। অনেকক্ষন কথা বার্তা চালিয়ে যাওয়ার পর নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নেশাগ্রস্থ ছেলে বলল, "আমার গার্লফ্রেড সারা রাইত আরেক পোলার লগে ওয়েটিং থাকে তাই মনের কষ্ট ভুলে থাকার জন্য এই গুলা খাই (গাজা, মদ, ঘুমের ট্যাবলেট)" আর একজন মধ্য বয়স্ক লোক বলেন, "আজ ৫ বছর হইয়া গেলো বিয়া করেছি কিন্তু আমার বউ এর বাচ্চা হয় না, তাই মনের দুঃখে নেশা করি" গাঁজা কোথায় পান এমন প্রশ্নের উত্তরে ২-৩ জন নেশাগ্রস্থ জানান, "মুগদা ষ্টেডিয়ামের পাশে গাঁজা, গরম পানি (মদ) সবই পাওয়া যায়" মুগদাপাড়ার এ সকল মাদক সেবনকারীদের আশ্রয় ও প্রশ্রয় দিচ্ছেন এলাকার কিছু রাজনৈতিক নেতা কর্মীরা" যার ফলে সাধারন মানুষ এ সকল নেশা গ্রস্থদের থানায় সোপর্দ করলেও রাজনৈতিক নেতারা থানা থেকে ছাড়িয়ে নিয়ে আসেন নিজেদের হাতকে শক্তিশালী করার জন্য। এ ব্যাপারে কথা বলতে গেলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি বি২৪নিউজ কে বলেন, "এলাকার কোন প্রকার অনিয়ম বা মাদক সেবনের সাথে তার দলের কোন কর্মী জড়িত থাকলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে" মুগদাপাড়ার শান্তিপ্রিয় মানুষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সহযোগীতা কামনা করেন।