প্রকাশকালঃ
মঙ্গলবার, ৭ মে, ২০১৩
সস্পাদনায়
Unknown
পুরো ৬০ ট্রাক ধ্বংসাবশেষ সরিয়েছিল ঢাকা সিটি করপোরেশন
ভোর চারটা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত সময়ের হিসাবে পুরো ৬০ ট্রাক ধ্বংসাবশেষ সরিয়েছিল ঢাকা সিটি করপোরেশন (ডিসিসি)। কিন্তু তখনো মতিঝিলের শাপলা চত্বর ও আশপাশের বড় এলাহেফাজতে ইসলামের কর্মীদের তাণ্ডবের চিহ্ন ছিল স্পষ্ট।
গতকাল সোমবার সকালে পোড়া বইয়ের স্তূপ, জ্বালিয়ে দেওয়া গাড়ির গনগনে অঙ্গার, ভেঙে ফেলা সড়ক বিভাজক আর উপড়ানো গাছসহ অনেক কিছু আগের দিনের ধ্বংসযজ্ঞের সাক্ষ্য দিচ্ছিল।
রাজধানীর মতিঝিল, নয়াপল্টন, বায়তুল মোকাররম, দৈনিক বাংলা মোড় ও ফকিরাপুলের সড়কগুলোকে চলাচল উপযোগী করতে ডিসিসি গতকাল হাজারের বেশি কর্মী নিয়ে নামে। ডিসিসি জানিয়েছে, প্রাথমিক হিসাবে তাদের পাঁচ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
হেফাজতে ইসলামের সমাবেশকে কেন্দ্র করে যে ধ্বংসযজ্ঞ চলে, তাতে ভেঙে ফেলা হয়েছে সড়ক বিভাজক, ইলেকট্রনিক ট্রাফিক সিগন্যাল, তুলে ফেলা হয়েছে ফুটপাতের কংক্রিটের চাঁই, ইটের গাঁথুনি, কেটে ফেলা হয়েছে শতাধিক গাছ।
স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব আবু আলম মো. শহিদ খান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. নজরুল ইসলাম সরেজমিনে ডিসিসির পরিচ্ছন্নতা কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেন। সিটি করপোরেশনের সম্পদ বিনষ্টের অভিযোগে মামলা করা হবে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির কর্মকর্তারা।
গতকাল দুপুর পর্যন্ত রাস্তার একদিক বন্ধ করে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ চালানো হয়। ডিসিসির ট্রাকে প্রচুর বাঁশ, লাঠি, ইট, ভাঙা কাচ ও পুড়ে যাওয়া সম্পদ তুলতে দেখা যায়।
ডিসিসি দক্ষিণের প্রধান প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম রাত নয়টায় বি২৪নিউজ.কম কে বলেন, তখন পর্যন্ত ১০০ ট্রাক ধ্বংসাবশেষ অপসারণ করা হয়েছে। সড়কগুলো চলাচলের উপযোগী করা হয়েছে। তিনি বলেন, ডিসিসি নিজস্ব লোকবল ও অর্থ দিয়ে প্রাথমিকভাবে এ কাজ করছে। পরে সার্বিক সংস্কারকাজের জন্য কর্মসূচি নেওয়া হবে।