প্রকাশকালঃ
শনিবার, ১১ মে, ২০১৩
সস্পাদনায়
Unknown
মৃত্যুর দ্বারপ্রান্ত থেকে ফিরলেন রেশমা
বাস্তব কখনো কখনো কল্পনাকেও হার মানায় তার প্রমান পাওয়াগেল গতকাল সভারের রানা প্লাজায়। ‘মৃত্যুপুরী’তে টানা ১৭ দিন ছিলেন পোশাককর্মী রেশমা। শেষ পর্যন্ত অবিশ্বাস্যভাবে ফিরে এসেছেন। এর আগে পৃথিবীর ইতিহাসে ধ্বংসস্তূপে সর্বোচ্চ বেঁচে থাকার রেকর্ড ছিল পাকিস্তান ও হাইতিতে। ৪১৫ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার হয়ে ধ্বংসস্তূপে বেঁচে থাকার ক্ষেত্রে তৃতীয় সর্বোচ্চ রেকর্ড গড়লেন দিনাজপুরের রেশমা আক্তার! পাকিস্তান ও হাইতির ঘটনা দু’টি ঘটে ভূমিকম্পের পর আর রেশমার ঘটনাটি ভবন ধসের। তাই কেবলমাত্র ভবন ধসের ক্ষেত্রে ধরলে রেশমাকে প্রথম রেকর্ডধারী বলে দাবি করা যায়।
উদ্ধারকর্মীরা কল্পনাও করেনি ১৭ দিন পর ধসে পড়া ভবনে কেউ বেঁচে থাকতে পারেন। গত দশ দিনের বেশি সময় ধরে যেখানে গলিত আর বিকৃত লাশ বের করে আনছেন তারা, সেখানে এতোদিন পর একটি জীবনের স্পন্দন পাওয়া উদ্ধারকর্মীসহ সকলের কাছেই বিষ্ময়কর! ধসে পড়ার ১৭ দিন পর রানা প্লাজার ধ্বংসস্তূপ থেকে রেশমাকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেন সেনা সদস্যরা।
শুক্রবার বিকালে উদ্ধারের পরপরই তাকে সাভারের সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে আজকে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন ১৭ বছর বয়সী এই তরুনি এখন আশঙ্কামুক্ত।