প্রকাশকালঃ
শনিবার, ১১ মে, ২০১৩
সস্পাদনায়
Unknown
অধিনায়কত্ব ছাড়ছেন মুশফিক-সান্তনার সিরিজ টি-২০
ওয়ানডে সিরিজ হেরে এমনিতেই শোকে মুহ্যমান বাংলাদেশ দল। মড়ার উপর খাঁড়ার ঘার চেয়েও বড় হয়ে দেখা দিয়েছে অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমের পদত্যাগের সিদ্ধান্ত।এত বিধ্বস্ত, এত মুমূর্ষু বাংলাদেশ দলকে সাম্প্রতিককালে আর দেখা যায়নি। তার ওপর আবার প্রবল প্রতিপক্ষ জিম্বাবুয়ের মাটিতে এখন দল।এমন একটি ভয়ানক অবস্থা নিয়েই শনিবার সিরিজের প্রথম টি২০ খেলতে নামবে মুশফিক বাহিনী।
নিজেকে একটু কি দূরে সরিয়ে রাখতে চাইছেন মুশফিকুর রহিম! কুইন্স স্পোর্টস ক্লাব মাঠে কাল ওয়ার্মআপের সময় কী একটা নতুন ড্রিল করাচ্ছিলেন ট্রেনার ডেভিড ড্রয়ার। সামান্য দূরত্বে একজন খুব জোরে দৌড়ে যাচ্ছেন। পেছন থেকে আরেকজন তাঁকে ধরার চেষ্টা করছেন। সবাই বেশ মজাই পাচ্ছিলেন। শুধু মুশফিকের কেমন যেন ছাড়া ছাড়া ভাব। একটু পর ক্যাচ প্র্যাকটিসেও তাই। অধিনায়কত্ব ছাড়ার ঘোষণা দিয়ে কি তাহলে সিরিজ থেকেই মন উঠে গেল তার।
মুশফিকের অধিনায়কত্ব ছাড়াটাকে রহস্যময় ভাবলে এ রকম প্রশ্ন উঁকি দিতেই পারে। যদি ভাবেন এটা একান্তই ওয়ানডে সিরিজ হারজনিত আবেগতাড়িত সিদ্ধান্ত নয়, পেছনে আরও কারণ লুকিয়ে; তখন স্বাভাবিক বিষয়গুলোও অস্বাভাবিক ঠেকে। বাস্তবতা হলো, অধিনায়কত্ব ছাড়ার পর দ্বিতীয় দিনেও বুলাওয়েতে নতুন কিছুর গন্ধ সামান্যই মিলেছে। দলের একটি সূত্রের তথ্য, বাজে আউট হওয়ার পরও ড্রেসিংরুমে ফিরে কোনো কোনো ব্যাটসম্যানকে অনুতপ্ত না হতে দেখে অসন্তুষ্ট ছিলেন মুশফিক, যে রকমটা হলে অসন্তুষ্ট হন সব অধিনায়কই।তবে এটাকে কেউ পদত্যাগের মতো বড় সিদ্ধান্তের কারণ মানতে নারাজ। এ ছাড়া ঢাকায় বোর্ড সভাপতি মুশফিককে উদ্ধৃত করে টিমওয়ার্কের যে অভাবের কথা বলেছেন,সেটাও দলের মধ্যে বিস্ময়ের জন্ম দিচ্ছে। যাঁরা বোর্ড সভাপতির সঙ্গে মুশফিকের ওই কথোপকথন শুনেছেন তাঁরা তো বটেই, অন্যরাও বাজি ধরে বলছেন, ‘টিমওয়ার্ক নেই’ এমন কথা বোর্ড সভাপতিকে বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেননি।