প্রকাশকালঃ
বুধবার, ৮ মে, ২০১৩
সস্পাদনায়
Unknown
প্রবাসী ভারতীয় 'মিস ইন্ডিয়া' হলেন প্রবাসী নেহাল ভোগাইতা
প্রবাসী ভারতীয়দের মধ্যে 'মিস ইন্ডিয়া ওয়ার্ল্ডওয়াইড' শিরোপা জিতলেন যুক্তরাজ্য প্রবাসী নেহাল ভোগাইতা।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসী ভারতীয় সুন্দরীদের এই জমকালো প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ২৭ এপ্রিল মালয়েশিয়ায়।আর নেহালই হলেন সুন্দরী প্রতিযোগিতায় প্রথম নারী, যিনি বধির এবং কানে শুনতে পান না। নেহালের কৃতিত্ব এখানেই সীমিত নয়।বধির হয়েও কখনও নিজেকে হতাশ হতে দেননি তিনি। তার আছে অফুরন্ত মনোবল। আর সে মনোবলই তাকে বারবার সাফল্যের মুকুট পরিয়েছে।সুন্দরী প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে গেলে বধিরতার মতো শারীরিক প্রতিবন্ধিতা বড় বাধা হয়ে দাঁড়ানোটাই স্বাভাবিক।
আইএফসির উদ্যোগে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতার সংগঠক ধর্মাত্মা শরণ বিবৃতিতে বলেন, নেহাল শারীরিক প্রতিবন্ধী হলেও এটাকে তিনি খুব বড় করে দেখেননি। তার ইচ্ছে ছিল নিজেকে বধির কিংবা বোবা শারীরিক প্রতিবন্ধীদের রোল মডেল হিসেবে গড়ে তোলা। নেহালের কাছে শারীরিক প্রতিবন্ধকতা মোটেই বাধা নয়। বরং এটাকেই নিজেকে তুলে ধরার সুযোগ হিসেবে নিয়েছেন তিনি।ভারতীয় বংশোদ্ভূত ২৪ বছর বয়সী এই সুন্দরী বাস করেন যুক্তরাজ্যের লিস্টারশায়ারে।
সুন্দরী প্রতিযোগিতায় তিনি প্রথমে 'মিস ইন্ডিয়া লিস্টারশায়ার' হন।গত বছর ২৭ অক্টোবর অক্সফোর্ডে তিনি জেতেন মিস ইন্ডিয়া ইউকে শিরোপা।
সারাবিশ্বের প্রবাসী ভারতীয় সুন্দরীদের নিয়ে গত সপ্তাহে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত হয় মিস ইন্ডিয়া ওয়ার্ল্ড ওয়াইড প্রতিযোগিতা। এ প্রতিযোগিতায় নেহাল বলিউডের ছবির একটি নাচ নাচেন। নাচটি পরিবেশনের সময় নেহালকে দেখে মনে হয়েছে, শারীরিক প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও তিনি হাল ছাড়ার পাত্রী নন। নাচার সময় তার শরীরী ভঙ্গিতে হার না মানা ভাবটাই ফুটে উঠেছে। সঙ্গীত শুনতে না পেলেও তার তালে তালে পা মেলাতে সমস্যা হয়নি। প্রতিটি বিটের কম্পন বা ভাইব্রেশন থেকেই তিনি অনুভব করেছেন তাল ও লয়।প্রতিযোগিতায় প্রথম রানারআপ হন মালয়েশিয়া প্রবাসী ভারতীয় সুন্দরী যশবীর কাউর, দ্বিতীয় রানারআপ ওমান প্রবাসী সুরভী শচদেব।বাকি দু'জন ফাইনালিস্ট হলেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভারতীয় সুন্দরী গীতাঞ্জলি কেলাত ও নাইজেরিয়া প্রবাসী ভারতীয় আয়ুশি ছাব্রা। প্রবাসী ৪৫ ভারতীয় সুন্দরীর মধ্যে বধির নেহালই মেলে ধরেছেন সেরা রূপ-লাবণ্য।