প্রকাশকালঃ
বুধবার, ৮ মে, ২০১৩
সস্পাদনায়
Unknown
রিজার্ভে নতুন রেকর্ড
বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নতুন রেকর্ড ছুয়েছে। মঙ্গলবার দিন শেষে রিজার্ভের পরিমাণ দাড়ায় ১৫ দশমিক ০৬ বিলিয়ন (দেড় হাজার কোটি) ডলার।যা স্বাধীনতার পর এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ পরিমাণ। বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র এএফএম আসাদুজ্জামান এ তথ্য জানিয়েছেন। প্রবাসীদের পাঠানো অর্থই (রেমিটেন্স)এতে মূল ভূমিকা রেখেছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেক্স রিজার্ভ অ্যান্ড ট্রেজারি ম্যানেজমেন্টবিভাগের মহাব্যবস্থাপক কাজী ছাইদুর রহমান।আমদানি ব্যয় কমে আসার সঙ্গে সঙ্গে প্রকল্প সাহায্যও রিজার্ভের বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে বলে জানান তিনি। তবে মূল অবদান রেমিটেন্স।গত এপ্রিল মাসে প্রবাসীরা ১১৯ কোটি টাকা দেশে পাঠিয়েছেন।চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে ১২ দশমিক ৩৫ বিলিয়ন ডলার রেমিটেন্স এসেছে।এই অঙ্ক গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ১৫ শতাংশ বেশি বলে জানান ছাইদুর রহমান।এদিকে বাজারে ডলারের সরবরাহ বাড়ায় ডলারের বিপরীতে টাকা শক্তিশালী হচ্ছে।প্রতিদিনই কমছে ডলারের দর।মঙ্গলবার আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে প্রতি ডলার ৭৭ টাকা ৯৩ পয়সায় বিক্রি হয়েছে।গত বছরের ডিসেম্বরে এই ডলারের দর বাড়তে বাড়তে এক পর্যায়ে ৮৫ টাকায় উঠেছিলো।
রেমিটেন্স ও রপ্তানি আয়ের ইতিবাচক ধারা ধরে রাখতে প্রায় প্রতিদিনই ডলার কিনছে বাংলাদেশ। তারপরও ডলারের দর কমছে।ছাইদুর রহমান বলেন, অর্থবছরের দশ মাসে (জুলাই-এপ্রিল) বাজার থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ৪৭৩ কোটি ৪০ লাখ ডলার কিনেছে।“চলতি সপ্তাহে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) ৭৫ কোটি ডলার আমদানি বিল পরিশোধ করতে হবে। তারপরও রিজার্ভ ১৪ বিলিয়ন ডলারের ওপরে অবস্থান করবে।”
আকুর দেনা পরিশোধের পর আগে কখনো রিজার্ভ ১৪ বিলিয়ন ডলারের ওপরে অবস্থান করেনি বলে জানান বাংলাদেশ ব্যাংকের এই কর্মকর্তা।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের ১০ মাসে (জুলাই-এপ্রিল) ১২ দশমিক ৩৫ বিলিয়ন ডলারের রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা, যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ১৬ শতাংশ বেশি।
চলতি বছরের প্রথম চার মাসে (জানুয়ারি-এপ্রিল) গত বছরের একই সময়ের চেয়ে রেমিটেন্স বেড়েছে ৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ।২০১২ সালে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ১ হাজার ৪২০ কোটি ডলার দেশে পাঠিয়েছেন, যা আগের বছরের চেয়ে ২১ শতাংশ বেশি। দেশের ইতিহাসে এক বছরে এতো রেমিটেন্স আগে কখনো আসেনি।
তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশ ব্যাংক আশা করছে, চলতি অর্থবছরে প্রবাসী আয় ১৪ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে।
