প্রকাশকালঃ
মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৪
সস্পাদনায়
Abul Kalam Azad
লতিফ সিদ্দিকীকে মন্ত্রিসভা থেকে অব্যাহতি
নিজস্ব প্রতিবেদক: ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তিমন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীকে মন্ত্রিসভা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে এই পদত্যাগ নিয়ে বিভিন্ন রকমের আলোচনা শোনা গেলেও মন্ত্রিপরিষদ সচিবালয় থেক এ সংক্রান্ত কোনো প্রজ্ঞাপন এখনও পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরে আসলে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে।
উল্লেখ্য, নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসের একটি হোটেলে রোববার বিকেলে নিউইয়র্কে বসবাসরত
টাঙ্গাইলবাসীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী হযরত মোহাম্মদ (সা.), হজ, তাবলীগ জামাত ও প্রধানমন্ত্রী পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়কে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘আব্দুল্লাহর পুত্র মোহাম্মদ চিন্তা করল এ জাজিরাতুল আরবের লোকেরা কীভাবে চলবে? তারাতো ছিল ডাকাত। তখন সে একটা ব্যবস্থা করলো যে আমার অনুসারীরা প্রতিবছর একবার একসঙ্গে মিলিত হবে। এরমধ্য দিয়ে একটা আয়-ইনকামের ব্যবস্থা হবে।’
মতবিনিময় কালে মন্ত্রী আরো বলেন, ‘আমি হজ আর তাবলীগ জামাতের ঘোরতর বিরোধী, জামায়াতে ইসলামীরও বিরোধী, তবে তার চেয়েও বেশি হজ ও তাবলীগ জামাতের।’
হজ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের এ প্রবীণ নেতা বলেন, ‘হজের জন্য ২০ লাখ লোক সৌদি আরবে গিয়েছে। এদের কোনো কাম নাই। এদের কোনো প্রডাকশন নাই। শুধু রিডাকশন দিচ্ছে। শুধু খাচ্ছে আর দেশের টাকা দিয়ে আসছে। গড়ে যদি বাংলাদেশ থেকে ১ লাখ লোক হজে যায় প্রত্যেকের পাঁচ লাখ টাকা করে ৫০০ কোটি টাকা খরচ হয়।’
এসময় তাবলীগ জামাতের সমালোচনা করে মন্ত্রী বলেন, ‘তাবলীগ জামায়াত প্রতিবছর ২০ লাখ লোকের জমায়েত করে। নিজেদেরতো কোনো কাজ নেই। সারা দেশের গাড়িঘোড়া তারা বন্ধ করে দেয়।’
মতবিনিময় কালে মন্ত্রী আরো বলেন, ‘আমি হজ আর তাবলীগ জামাতের ঘোরতর বিরোধী, জামায়াতে ইসলামীরও বিরোধী, তবে তার চেয়েও বেশি হজ ও তাবলীগ জামাতের।’
হজ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের এ প্রবীণ নেতা বলেন, ‘হজের জন্য ২০ লাখ লোক সৌদি আরবে গিয়েছে। এদের কোনো কাম নাই। এদের কোনো প্রডাকশন নাই। শুধু রিডাকশন দিচ্ছে। শুধু খাচ্ছে আর দেশের টাকা দিয়ে আসছে। গড়ে যদি বাংলাদেশ থেকে ১ লাখ লোক হজে যায় প্রত্যেকের পাঁচ লাখ টাকা করে ৫০০ কোটি টাকা খরচ হয়।’
এসময় তাবলীগ জামাতের সমালোচনা করে মন্ত্রী বলেন, ‘তাবলীগ জামায়াত প্রতিবছর ২০ লাখ লোকের জমায়েত করে। নিজেদেরতো কোনো কাজ নেই। সারা দেশের গাড়িঘোড়া তারা বন্ধ করে দেয়।’