প্রকাশকালঃ
মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৪
সস্পাদনায়
Abul Kalam Azad
নৌ নিরাপত্তায় বিজিবি মোতায়ন হচ্ছে
সুমন ইসলাম, ঢাকা: ঈদ-উল-আযহা এবং দুর্গা পূজা উপলক্ষ্যে দক্ষিণাঞ্চলগামী মানুষের অন্যতম যোগাযোগ মাধ্যম হচ্ছে নৌপথ। নদীপথে ঘরমুখো প্রায় সাড়ে ৩ কোটি মানুষ ও ফেরি চলাচলের সুবিধার্থে সরকার অন্যতম তিনপি রুটে ১৬ টি ড্রেজার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বিআইডব্লিউটএর চেয়ারম্যান ড. শামছুদ্দোহা খন্দকার। পাশাপাশি নৌ নিরাপত্তায় অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে মোতায়ন করা হবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
তিনি বলেন, ঢাকা-বিশেষ করে মুন্সীগঞ্জের মাওয়া-চরজানাজাত, মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া- রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ও বরিশাল নদী বন্দর এলাকাসহ সারাদেশের নৌপথের নাব্যতা সংরক্ষণে কাজ করছে ড্রেজারগুলো।
তিনি আরো বলেন, তবে বিজিবি কাজ করবে নৌ পুলিশের তত্বাবধানে।এচাড়াও অন্যন্যরাও থাকবে যাত্রী সাধারণের নিরাপত্তার জন্য।
বিআইডব্লিউটিএর ড্রেজিং বিভাগ সূত্রে জানাগেছে, চলতি অর্থ বছরের এ পর্যন্ত পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ফেরি রুটে ৯৩ হাজার ঘনমিটার ও মাওয়া চরজানাজাত ফেরি রুটে ২ লাখ ৫১ হাজার ঘনমিটার পলিমাটি অপসারণ করা হয়েছে। দৌলতদিয়ায় একটি বিকল্প চ্যানেল তৈরি করা হয়েছে। বর্তমানে উভয় চ্যানেলে ১২-১৬ ফুট পানি রয়েছে। ফেরি রুট চালু রাখতে হাইড্রোগ্রাফিক জরিপ, মার্টি, বয়া-বাতি-বিকন স্থাপন, ড্রেজিংসহ প্রয়োজনীয় কার্যক্রম দ্রুত সম্পাদনসহ সার্বক্ষণিকভাবে মনিটরিংয়ের জন্য মাওয়া ও পাটুরিয়াতে পরার্মশক প্রতিষ্ঠান কাজ করছে।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহণ কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যান ড. শামছুদ্দোহা খন্দকার আরো জানান, বর্তমানে মাওয়া-চরজানাজাত, মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া- রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ও বরিশাল নৌ রুটে প্রবল স্রোত রয়েছে। এ কারণে মাওয়ায় ছোট ২৫টি লঞ্চ (২০ মিটারের) নিচেরগুলো চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। পাশাপাশি সেখানে বিআইডব্লিউটিসির মাওয়াতে দুটি সি ট্রাক এবং দুটি রোরো ফেরি সার্ভিস যাত্রী পারাপারের জন্য চালু করবে। এ মৌসুমে প্রতি দিন প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ হাজার মানুষ পারাপার হয় শুধু মাওয়া থেকে। বেশ কয়েকটি নৌ দুর্ঘটনার পওে এ বছর যাতহ্রী সাধারণের জন্য বাড়তি নজর দেওয়া হচ্ছে। যাতে যাত্রীরা নির্বিঘ্নে আত্মীয়দের সঙ্গে কোরবানীর ঈদ ও দুর্গাপুজা পালন করতে যেতে পারে এবং কর্মস্থলে ফিরেও আসতে পারে। নাব্যতা সঙ্কট নিরসনে বিআইডব্লিউটিএর পরামর্শের জন্য অর্গানাইজেশন সেন্টার ফর ইনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সার্ভিসকে (সিইজিআইএস) কাজ করছে। সিইজিআইএসের এর পরামর্শ অনুযায়ী মাওয়া-চরজানাজাত, পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া, পাটুরিয়া-বাঘাবাড়ী নৌ-রুটের মরফোলজিক্যাল স্টাডিসহ নৌপথে ড্রেজিং কার্যক্রমের পরামর্শ দিচ্ছে।
বিআইডব্লিউটিএর প্রধান প্রকৌশলী ( ড্রেজিং) মো. আব্দুল মতিন বলেন, পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক করতে দৌলতদিয়া ১ নম্বর ঘাট বরাবর চ্যানেলটির ভাটিতে ড্রেজিং করে বিকল্প চ্যানেল তৈরি করা হয়েছে। প্রাকৃতিক কারণে ক্ষরস্রোতা পদ্মার পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া এবং মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌপথে ফেরি চলাচল কয়েক দফা বিঘ্নিত হলেও এ দুটি নৌপথে বড় সঙ্কট ফেরি স্বল্পতা। তিনি আরো বলেন, পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া চ্যানেলের গভীরতা সর্বনিম্ন ১২ থেকে ১৪ ফুট এবং মাওয়া-চরজানাজাত চ্যানেলের গভীরতা সর্বনিম্ন ১১ থেকে সাড়ে ১২ ফুট রয়েছে। তবে তিনি আশা করেন এবছর গুরুত্বপূর্ণ নৌরুট গুরোতে কোনো সমস্যা হবে না।
অপরদিকে সমুদ্র পরিবহণ অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী একেএম ফখরুল ইসলাম জানান, মাওয়া ঘাটে চলাচলকারী ৮৬ টি লঞ্চের মধ্যে ১৩ টির (২০ মিটারের নিচে) এই মূহূর্তে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়নি। অনেককে শর্ত সাপেক্ষে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তরিকুল
