প্রকাশকালঃ
মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৪
সস্পাদনায়
Unknown
টানা তেরো বার অপরাজিত কলকাতা
স্পোর্টস ডেস্ক: চ্যাম্পিয়নস লিগ টি-টোয়েন্টিতে নিজেদের জয়রত অব্যাহত রেখেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। সোমবার হায়দরাবাদের রাজীব গান্ধী স্টেডিয়ামে উত্থাপা ও মনিষ পান্ডের অনবদ্ধ ব্যাটিংয়ে নিজেদের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার দল ডলফিন্সের বিপক্ষে ৩৬ রানে জয় পায় শাহরুখ খানের মালিকানাধীন দলটি।
এই জয়ের মাধ্যমে আইপিএল ও চ্যাম্পিয়নস লিগ মিলিয়ে টানা তেরো জয় তুলে নেয়ার বিরল কৃতিত্ব দেখালো নাইটরা। এটি সারা বিশ্বের মধ্যে কোনো টি-টোয়েন্টি দলের অনন্য এক কৃর্তী।
এর আগে চলতি আসরের প্রথম দল হিসেবে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করা কলকাতা প্রথমে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু ইনিংসের পাঁচ ওভারের মধ্যেই অধিনায়ক গৌতম গাম্ভীর (১২) ও অভিজ্ঞ জ্যাক ক্যালিসকে (৬) হারায় তারা। তবে তৃতীয় উইকেট জুটিতে পাণ্ডে ও উথাপ্পার ১৫৩ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে আর কোনো উইকেটই হারায়নি কেকেআর। শেষ পর্যন্ত সেই দুই উইকেট থেকেই নির্ধারিত ওভার থেকে ১৮৭ রান তোলে তারা।
নাইট ওপেনার উথাপ্পা ১৩টি চারে ৫৫ বলে ৮৫ রান করে অপরাজিত থাকেন। আর অন্য পাশে পাণ্ডের ব্যাট থেকে এসেছে ৭৬ রানের অনবদ্য ইনিংস।
এরপর ১৮৮ রানের বড় লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে কেকেআরের মূল মরণাস্ত্র স্পিনেই কুপোকাত হয় ডলফিনস। তাই ছয় রানেই দুই উইকেট খোঁয়ায় তারা। অবশ্য এরপর বিপর্যয় কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করে তারা। কিন্তু তারপরেও ব্যাট হাতে আট উইকেটে ১৫১ রানের বেশি তুলতে সমর্থ হয়নি তারা।
দক্ষিণ আফ্রিকার দলটির পক্ষে সর্বোচ্চ ৩৭ রান করেন আন্দিল, যিনি নারিনের শিকার হন। কেকেআরের নারিন তিনটি ও ইউসুফ পাঠান দুটি উইকেট শিকার করেন।
এই জয়ের মাধ্যমে আইপিএল ও চ্যাম্পিয়নস লিগ মিলিয়ে টানা তেরো জয় তুলে নেয়ার বিরল কৃতিত্ব দেখালো নাইটরা। এটি সারা বিশ্বের মধ্যে কোনো টি-টোয়েন্টি দলের অনন্য এক কৃর্তী।
এর আগে চলতি আসরের প্রথম দল হিসেবে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করা কলকাতা প্রথমে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু ইনিংসের পাঁচ ওভারের মধ্যেই অধিনায়ক গৌতম গাম্ভীর (১২) ও অভিজ্ঞ জ্যাক ক্যালিসকে (৬) হারায় তারা। তবে তৃতীয় উইকেট জুটিতে পাণ্ডে ও উথাপ্পার ১৫৩ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে আর কোনো উইকেটই হারায়নি কেকেআর। শেষ পর্যন্ত সেই দুই উইকেট থেকেই নির্ধারিত ওভার থেকে ১৮৭ রান তোলে তারা।
নাইট ওপেনার উথাপ্পা ১৩টি চারে ৫৫ বলে ৮৫ রান করে অপরাজিত থাকেন। আর অন্য পাশে পাণ্ডের ব্যাট থেকে এসেছে ৭৬ রানের অনবদ্য ইনিংস।
এরপর ১৮৮ রানের বড় লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে কেকেআরের মূল মরণাস্ত্র স্পিনেই কুপোকাত হয় ডলফিনস। তাই ছয় রানেই দুই উইকেট খোঁয়ায় তারা। অবশ্য এরপর বিপর্যয় কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করে তারা। কিন্তু তারপরেও ব্যাট হাতে আট উইকেটে ১৫১ রানের বেশি তুলতে সমর্থ হয়নি তারা।
দক্ষিণ আফ্রিকার দলটির পক্ষে সর্বোচ্চ ৩৭ রান করেন আন্দিল, যিনি নারিনের শিকার হন। কেকেআরের নারিন তিনটি ও ইউসুফ পাঠান দুটি উইকেট শিকার করেন।
