প্রকাশকালঃ
মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৪
সস্পাদনায়
Unknown
সারাদেশ পালিত হচ্ছে শারদীয় দুর্গোৎসব
নিজস্ব প্রতিবেদক: ষষ্ঠীপূজার মাধ্যমে আজ থেকে শুরু হচ্ছে হিন্দু-সম্প্রদায়ের সর্ববৃহৎ উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। এ উৎসবকে কেন্দ্র করে সারাদেশে শুরু হয়েছে উৎসবের আমেজ। সোমবার দেবী বোধনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে দুর্গোৎসব।
রাজধানীসহ সারাদেশে একযোগে ২৮ হাজার ৪৫৮টি পূজা মণ্ডপে উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা গত ২৩ সেপ্টেম্বর মহালয়া উদযাপনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়।
মঙ্গলবার সকাল ৯টা ৫৮ মিনিটে দেবীর ষষ্ঠাদি কল্পারম্ভ ও ষষ্ঠী বিহিত পূজার মধ্য দিয়ে শুরু হয় দুর্গোৎসব। এসময় পূজা মণ্ডপগুলোতে দেবী দুর্গার প্রতিমা স্থাপন করা হয়। বিকেলে অনুষ্ঠিত হবে দেবীর আমন্ত্রণ অধিবাস। অনেক মণ্ডপে সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হবে আরতি ও ভক্তিমূলক গানের অনুষ্ঠান। মন্দিরে মন্দিরে মন্ত্র উচ্চারণ আর প্রার্থনার মধ্য দিয়ে বিশ্বের অশুভকে তাড়িয়ে শুভ কামনা করা হবে।
জাতির মঙ্গল কামনায় সব অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে প্রতি বছর মহালয়া দুর্গা মর্তে আসেন। মহালয়ার দিন এক বছর পর বেদী দুর্গা শশুরালয় থেকে পিতৃগৃহে চলে আসেন। আসুরিক শক্তির বিনাশ আর শান্তি, কল্যাণ ও সমৃদ্ধি লাভের জন্য হিন্দু সম্প্রদায় যুগযুগ ধরে মা দুর্গার আরাধনা করে আসছেন।
ঢাকা মহানগর সার্বজনীন পূজা উদযাপন কমিটি সূত্রে জানা গেছে, এবার রাজধানীতে ২১৮টি পূজামণ্ডপ তৈরি করা হয়েছে। সোমবার ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে গিয়ে দেখা গেছে, শারদীয় দুর্গোৎসবকে ঘিরে পূজামণ্ডপে রঙ-বেরঙের ফেস্টুন, ব্যানার আর বর্ণিল তোরণ নির্মাণে পূজা কমিটির সদস্যরা ব্যস্ত।
এছাড়া রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশন, তাঁতীবাজার, শাঁখারী বাজার, ধানমন্ডী সার্বজনিন পূজা কমিটি, হিন্দুপাড়া এজিবি কলোনীর অরুনিমা সংসদ পূজা কমিটি, শ্রীশ্রী বরদেশ্বরী কালীমাতা মন্দির ও শ্মশান কমিটি, গুলশান-বনানী পূজা কমিটি, বৃহত্তর মিরপুর সার্বজনীন পূজা উদযাপন পরিষদসহ বিভিন্ন মন্দিরে দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্যান্ডেল তৈরি করা হয়েছে। হিন্দু অধ্যুষিত এলাকা শাঁখারীবাজারে এ বছর প্রায় ৩০টি স্থানে পূজামণ্ডপ তৈরি করা হয়েছে বলে স্থানীয় হিন্দু নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন।
৪ অক্টোবর সকাল ৭টায় বিজয়া দশমী পূজা এবং সমাপন ও সকাল ৯টা ৫৯ মিনিটে দর্পণ বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শারদীয় দুর্গোৎসব শেষ হবে।
রাজধানীসহ সারাদেশে একযোগে ২৮ হাজার ৪৫৮টি পূজা মণ্ডপে উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা গত ২৩ সেপ্টেম্বর মহালয়া উদযাপনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়।
মঙ্গলবার সকাল ৯টা ৫৮ মিনিটে দেবীর ষষ্ঠাদি কল্পারম্ভ ও ষষ্ঠী বিহিত পূজার মধ্য দিয়ে শুরু হয় দুর্গোৎসব। এসময় পূজা মণ্ডপগুলোতে দেবী দুর্গার প্রতিমা স্থাপন করা হয়। বিকেলে অনুষ্ঠিত হবে দেবীর আমন্ত্রণ অধিবাস। অনেক মণ্ডপে সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হবে আরতি ও ভক্তিমূলক গানের অনুষ্ঠান। মন্দিরে মন্দিরে মন্ত্র উচ্চারণ আর প্রার্থনার মধ্য দিয়ে বিশ্বের অশুভকে তাড়িয়ে শুভ কামনা করা হবে।
জাতির মঙ্গল কামনায় সব অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে প্রতি বছর মহালয়া দুর্গা মর্তে আসেন। মহালয়ার দিন এক বছর পর বেদী দুর্গা শশুরালয় থেকে পিতৃগৃহে চলে আসেন। আসুরিক শক্তির বিনাশ আর শান্তি, কল্যাণ ও সমৃদ্ধি লাভের জন্য হিন্দু সম্প্রদায় যুগযুগ ধরে মা দুর্গার আরাধনা করে আসছেন।
ঢাকা মহানগর সার্বজনীন পূজা উদযাপন কমিটি সূত্রে জানা গেছে, এবার রাজধানীতে ২১৮টি পূজামণ্ডপ তৈরি করা হয়েছে। সোমবার ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে গিয়ে দেখা গেছে, শারদীয় দুর্গোৎসবকে ঘিরে পূজামণ্ডপে রঙ-বেরঙের ফেস্টুন, ব্যানার আর বর্ণিল তোরণ নির্মাণে পূজা কমিটির সদস্যরা ব্যস্ত।
এছাড়া রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশন, তাঁতীবাজার, শাঁখারী বাজার, ধানমন্ডী সার্বজনিন পূজা কমিটি, হিন্দুপাড়া এজিবি কলোনীর অরুনিমা সংসদ পূজা কমিটি, শ্রীশ্রী বরদেশ্বরী কালীমাতা মন্দির ও শ্মশান কমিটি, গুলশান-বনানী পূজা কমিটি, বৃহত্তর মিরপুর সার্বজনীন পূজা উদযাপন পরিষদসহ বিভিন্ন মন্দিরে দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্যান্ডেল তৈরি করা হয়েছে। হিন্দু অধ্যুষিত এলাকা শাঁখারীবাজারে এ বছর প্রায় ৩০টি স্থানে পূজামণ্ডপ তৈরি করা হয়েছে বলে স্থানীয় হিন্দু নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন।
৪ অক্টোবর সকাল ৭টায় বিজয়া দশমী পূজা এবং সমাপন ও সকাল ৯টা ৫৯ মিনিটে দর্পণ বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শারদীয় দুর্গোৎসব শেষ হবে।
