প্রকাশকালঃ
শুক্রবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৪
সস্পাদনায়
Unknown
বিএনপির হাল ধরতে দেশে ফিরছেন জোবায়দা!
নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজনীতিতে দ্রুত অভিষেক ঘটতে যাচ্ছে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমান। লন্ডন থেকে আগামী মাসেই দেশে ফিরছেন ডা. জোবায়দা রহমান। দলের চেয়ারপারসন ও শাশুড়ি বেগম খালেদা জিয়াকে সহযোগিতা করাই তার মূল লক্ষ্য।
দায়িত্বশীল সূত্রগুলো এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেছে, বিএনপিতে বিপর্যয়ের সৃষ্টি হলে হাল ধরতেই দেশে ফিরছেন ডা. জোবায়দা। তা ছাড়া তারেক রহমান একের পর এক মামলায় জড়িয়ে পড়ায় তার আগামী জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়টি অনিশ্চিত। সে কারণে জোবায়দা রহমানকেই দলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হতে পারে।
বেগম জিয়ার পুত্রবধূর এ আগমন দলের ভাবমূর্তিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদী সিনিয়র নেতারা। আগামী জাতীয় নির্বাচনে ডা. জোবায়দার প্রতিদ্বন্দ্বিতার বিষয়টিও নিশ্চিত। সিলেট সদর অথবা ঢাকা-১৩ আসনে তিনি প্রার্থী হতে পারেন।
বিএনপির একজন প্রভাবশালী ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, 'জোবায়দা রহমান রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য। একই সঙ্গে তার যোগ্যতাও আছে। তিনি রাজনীতিতে আসতেই পারেন। আর দেশে ফেরার ক্ষেত্রে তার তো কোনো বাধা নেই। তবে রাজনীতিতে আসবেন কি, না আসবেন- সে সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার একান্তভাবে তার পরিবারেরই।'
সূত্র জানায়, সক্রিয় রাজনীতিতে জোবায়দা রহমানের অংশগ্রহণের ব্যাপারে চেয়ারপারসন ছাড়াও আগ্রহী দলের অধিকাংশ সিনিয়র নেতা। তৃণমূল নেতা-কর্মীরাও যেন এক পায়ে দাঁড়িয়ে। তারেক রহমানের অনুপস্থিতিতে দেশে ফিরে জোবায়দা রহমান দলের জন্য ভূমিকা রাখবেন, তা-ই চান তারা। অত্যন্ত মেধাবী, ক্লিন ইমেজ ও স্বল্পভাষিণী এই চিকিৎসক দ্রুত দেশের রাজনীতিতে উল্লেখযোগ্য স্থান করে নিতে পারবেন বলে মনে করছেন নেতা-কর্মীসহ বিভিন্ন মহল।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক সদস্য বলেন, 'প্রতিকূল পরিস্থিতিতে তারেক রহমানের দেশে ফেরা সম্ভব না হওয়ায় স্বামীর অবর্তমানে দলের হাল ধরতে দেশে আসছেন জোবায়দা রহমান। চলমান রাজনৈতিক সংকটে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াও বেশ নিঃসঙ্গতা অনুভব করছেন। এ অবস্থায় পরিবারের সদস্যদের জন্য তিনি রীতিমতো ব্যাকুল। বিশেষ করে নাতনি জায়মা রহমানের খুবই অভাববোধ করছেন তিনি।'
জোবায়দা রহমান কবে নাগাদ ফিরবেন, দিন-তারিখ চূড়ান্ত না হলেও তার দেশে ফেরার খবরে দলের তরুণ নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। তার দেশে ফেরার দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে দল ও সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে বিমানবন্দরে জনসমাগম করারও পরিকল্পনা রয়েছে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমান বলেন, 'যা রটে, তা কিছু না কিছু ঘটেই। ডা. জোবায়দা রহমানের দেশে আসতে কিংবা রাজনীতি করতে তো কোনো বাধা নেই। তা ছাড়া দেশের গোটা রাজনীতিতেই এখন একটা ক্রান্তিকাল চলছে। আর বিএনপির সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ। সেসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যা যা করা দরকার, যেসব সিদ্ধান্ত নেওয়া দরকার, তার সবই চেয়ারপারসনকে নিতে হবে।
দায়িত্বশীল সূত্রগুলো এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেছে, বিএনপিতে বিপর্যয়ের সৃষ্টি হলে হাল ধরতেই দেশে ফিরছেন ডা. জোবায়দা। তা ছাড়া তারেক রহমান একের পর এক মামলায় জড়িয়ে পড়ায় তার আগামী জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়টি অনিশ্চিত। সে কারণে জোবায়দা রহমানকেই দলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হতে পারে।
বেগম জিয়ার পুত্রবধূর এ আগমন দলের ভাবমূর্তিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদী সিনিয়র নেতারা। আগামী জাতীয় নির্বাচনে ডা. জোবায়দার প্রতিদ্বন্দ্বিতার বিষয়টিও নিশ্চিত। সিলেট সদর অথবা ঢাকা-১৩ আসনে তিনি প্রার্থী হতে পারেন।
বিএনপির একজন প্রভাবশালী ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, 'জোবায়দা রহমান রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য। একই সঙ্গে তার যোগ্যতাও আছে। তিনি রাজনীতিতে আসতেই পারেন। আর দেশে ফেরার ক্ষেত্রে তার তো কোনো বাধা নেই। তবে রাজনীতিতে আসবেন কি, না আসবেন- সে সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার একান্তভাবে তার পরিবারেরই।'
সূত্র জানায়, সক্রিয় রাজনীতিতে জোবায়দা রহমানের অংশগ্রহণের ব্যাপারে চেয়ারপারসন ছাড়াও আগ্রহী দলের অধিকাংশ সিনিয়র নেতা। তৃণমূল নেতা-কর্মীরাও যেন এক পায়ে দাঁড়িয়ে। তারেক রহমানের অনুপস্থিতিতে দেশে ফিরে জোবায়দা রহমান দলের জন্য ভূমিকা রাখবেন, তা-ই চান তারা। অত্যন্ত মেধাবী, ক্লিন ইমেজ ও স্বল্পভাষিণী এই চিকিৎসক দ্রুত দেশের রাজনীতিতে উল্লেখযোগ্য স্থান করে নিতে পারবেন বলে মনে করছেন নেতা-কর্মীসহ বিভিন্ন মহল।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক সদস্য বলেন, 'প্রতিকূল পরিস্থিতিতে তারেক রহমানের দেশে ফেরা সম্ভব না হওয়ায় স্বামীর অবর্তমানে দলের হাল ধরতে দেশে আসছেন জোবায়দা রহমান। চলমান রাজনৈতিক সংকটে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াও বেশ নিঃসঙ্গতা অনুভব করছেন। এ অবস্থায় পরিবারের সদস্যদের জন্য তিনি রীতিমতো ব্যাকুল। বিশেষ করে নাতনি জায়মা রহমানের খুবই অভাববোধ করছেন তিনি।'
জোবায়দা রহমান কবে নাগাদ ফিরবেন, দিন-তারিখ চূড়ান্ত না হলেও তার দেশে ফেরার খবরে দলের তরুণ নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। তার দেশে ফেরার দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে দল ও সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে বিমানবন্দরে জনসমাগম করারও পরিকল্পনা রয়েছে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমান বলেন, 'যা রটে, তা কিছু না কিছু ঘটেই। ডা. জোবায়দা রহমানের দেশে আসতে কিংবা রাজনীতি করতে তো কোনো বাধা নেই। তা ছাড়া দেশের গোটা রাজনীতিতেই এখন একটা ক্রান্তিকাল চলছে। আর বিএনপির সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ। সেসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যা যা করা দরকার, যেসব সিদ্ধান্ত নেওয়া দরকার, তার সবই চেয়ারপারসনকে নিতে হবে।
