প্রকাশকালঃ
বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৪
সস্পাদনায়
Unknown
ভারত থেকে জঙ্গি সংগ্রহ করছে আল-কায়েদা!
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের মাটিতে ঘাঁটি গাড়ার ঘোষণা দেয়ার পর দৃশ্যত কাজও শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে। গোয়েন্দ সংস্থার রিপোর্টে বলা হয়েছে, আয়মান আল জাওয়াহিরি ভাষনের পর ভারতে জঙ্গি সংগ্রহ অভিযানও শুরু হয়েছে। অন্তত কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সির (এনআইএ) ধারণা এমনই। জানা গেছে জঙ্গিদের ঠেকাতে দেশজুড়ে জঙ্গি বিরোধী অভিযান শুরু করতে যাচ্ছে এনআইএ।
প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, একদিকে ইন্ডিয়ান মুজাহিদিনের ২০ জন পলাতক মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি নেতার বিরুদ্ধে চার্জশিট দিয়েছে এনআইএ। সেই তালিকায় রিয়াজ ভাটকল থেকে শুরু করে কলকাতার আমির রেজা শাহি সকলেই আছেন।
এর পাশাপাশি আল কায়েদা প্রধান জাওয়াহিরির জেহাদের ভিডিও ফুটেজ আসল না নকল তা নিয়ে পৃথক তদন্ত চললেও, আল কায়েদা নিয়ে আলাদা ফাইল খুলতে আগ্রহী এনআইএ। এই মনোভাব জানিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে আল কায়েদার ব্যাপারে অগ্রসর হওয়ার অনুমতি চেয়েছে তারা।
সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে দৈনিক বর্তমান জানায়, ইতিমধ্যেই খবর পাওয়া যাচ্ছে, আল কায়েদার ওই খবর মোটেই ফাঁকা আওয়াজ নয়। কারণ কাশ্মীর, উত্তর পূর্ব ভারত, কর্ণাটক এবং উত্তর প্রদেশে ইতিমধ্যেই আল কায়েদার পক্ষ থেকে গোপনে নিয়োগের কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে খবর পাচ্ছেন গোয়েন্দারা।
এতে দাবি করা হয়, শুধু ভারত নয়, বাংলাদেশ ভারত এবং মায়ানমার সংলগ্ন উপমহাদেশীয় অংশকেই আল কায়েদা সামগ্রিক জেহাদের ভরকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে চাইছে। আরো বলা হয়, ইতিমধ্যেই ইসলামিক স্টেট অব ইরাক অ্যান্ড সিরিয়ায় (আইএসআইএস) ভারতের মুম্বইয়ের বেশ কিছু যুবক যোগ দিয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় সূত্রের খবর, আইএসআইএস-এর সঙ্গে আল কায়েদার রীতিমতো জেহাদের অধিকার ও এলাকার দখলদারিত্ব নিয়ে বিরোধ তৈরি হয়েছে। আল কায়েদা প্রধান জাওয়াহিরি ভারতের ইউনিটের দায়িত্ব দিয়েছেন আসিফ উমর নামের এক কমান্ডারকে।
তবে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় এখনও প্রকাশ্যে আল কায়েদার বিপদ নিয়ে কোনো পদক্ষেপ নিতে চাইছে না। বরং এখনো আল কায়েদার হুমকি নিয়ে শংসয় জিইয়ে রেখেছে। কিন্তু আদতে ভেতরে ভেতরে যে ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এবং রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং তথ্য সংগ্রহে ঝাঁপিয়ে পড়েছে তা স্পষ্ট।
প্রসঙ্গত, ঠিক এই বিপদের কথা মাথায় রেখেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় দেশের জেড প্লাস ভিভিআইপিদের একটি নির্দেশিকা পাঠিয়ে বলেছে, যারাই যে কোনো প্রয়োজনে বিদেশে যাবেন, তারাই যেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়কে অবগত করেন। হঠাৎ কেন এই নির্দেশিকা তা নিয়েও জল্পনা কল্পনা শুরু হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, একদিকে ইন্ডিয়ান মুজাহিদিনের ২০ জন পলাতক মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি নেতার বিরুদ্ধে চার্জশিট দিয়েছে এনআইএ। সেই তালিকায় রিয়াজ ভাটকল থেকে শুরু করে কলকাতার আমির রেজা শাহি সকলেই আছেন।
এর পাশাপাশি আল কায়েদা প্রধান জাওয়াহিরির জেহাদের ভিডিও ফুটেজ আসল না নকল তা নিয়ে পৃথক তদন্ত চললেও, আল কায়েদা নিয়ে আলাদা ফাইল খুলতে আগ্রহী এনআইএ। এই মনোভাব জানিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে আল কায়েদার ব্যাপারে অগ্রসর হওয়ার অনুমতি চেয়েছে তারা।
সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে দৈনিক বর্তমান জানায়, ইতিমধ্যেই খবর পাওয়া যাচ্ছে, আল কায়েদার ওই খবর মোটেই ফাঁকা আওয়াজ নয়। কারণ কাশ্মীর, উত্তর পূর্ব ভারত, কর্ণাটক এবং উত্তর প্রদেশে ইতিমধ্যেই আল কায়েদার পক্ষ থেকে গোপনে নিয়োগের কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে খবর পাচ্ছেন গোয়েন্দারা।
এতে দাবি করা হয়, শুধু ভারত নয়, বাংলাদেশ ভারত এবং মায়ানমার সংলগ্ন উপমহাদেশীয় অংশকেই আল কায়েদা সামগ্রিক জেহাদের ভরকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে চাইছে। আরো বলা হয়, ইতিমধ্যেই ইসলামিক স্টেট অব ইরাক অ্যান্ড সিরিয়ায় (আইএসআইএস) ভারতের মুম্বইয়ের বেশ কিছু যুবক যোগ দিয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় সূত্রের খবর, আইএসআইএস-এর সঙ্গে আল কায়েদার রীতিমতো জেহাদের অধিকার ও এলাকার দখলদারিত্ব নিয়ে বিরোধ তৈরি হয়েছে। আল কায়েদা প্রধান জাওয়াহিরি ভারতের ইউনিটের দায়িত্ব দিয়েছেন আসিফ উমর নামের এক কমান্ডারকে।
তবে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় এখনও প্রকাশ্যে আল কায়েদার বিপদ নিয়ে কোনো পদক্ষেপ নিতে চাইছে না। বরং এখনো আল কায়েদার হুমকি নিয়ে শংসয় জিইয়ে রেখেছে। কিন্তু আদতে ভেতরে ভেতরে যে ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এবং রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং তথ্য সংগ্রহে ঝাঁপিয়ে পড়েছে তা স্পষ্ট।
প্রসঙ্গত, ঠিক এই বিপদের কথা মাথায় রেখেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় দেশের জেড প্লাস ভিভিআইপিদের একটি নির্দেশিকা পাঠিয়ে বলেছে, যারাই যে কোনো প্রয়োজনে বিদেশে যাবেন, তারাই যেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়কে অবগত করেন। হঠাৎ কেন এই নির্দেশিকা তা নিয়েও জল্পনা কল্পনা শুরু হয়েছে।
