প্রকাশকালঃ
বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৪
সস্পাদনায়
Abul Kalam Azad
বরিশাল থেকে উত্তরবঙ্গের বাস চলাচল ১২ দিন থেকে বন্ধ
স্থানীয় প্রতিনিধি: বরিশাল থেকে উত্তরবঙ্গের ১০ জেলা রুটে বাস চলাচল গত ১২ সেপ্টেম্বর থেকে বন্ধ রয়েছে।
ফরিদপুরের এক পরিবহন মালিক ও রংপুর জেলা বাস মালিক সমিতির দ্বন্দ্বের জের ধরে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। বন্ধ থাকা রুটগুলো হচ্ছে বরিশাল-নাটোর-বগুড়া-রংপুর- সৈয়দপুর-দিনাজপুর-ঠাকুরগাঁও-পঞ্চগড় ও বরিশাল-কুষ্টিয়া-পাবনা-নাটোর-রাজশাহী। দু'পক্ষই অনড় অবস্থানে থাকায় আসন্ন ঈদুল আজহার আগে এ সংকট সমাধানের সম্ভাবনা ক্ষীণ। এ কারণে আসন্ন ঈদ ও পূজায় বরিশাল-উত্তরবঙ্গ রুটের ঘরমুখো যাত্রীদের দুর্ভোগ পোহাতে হবে। কারণ, বরিশাল থেকে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলোয় বাস ছাড়া অন্য কোনো যোগাযোগ ব্যবস্থা নেই।
বরিশাল জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি
জাহাঙ্গীর হাওলাদার বলেন, ফরিদপুর জেলা বাস মালিক সমিতির অন্তর্ভুক্ত
গোল্ডেন লাইন পরিবহন কোম্পানির ১০টি বাস এক মাস আগে রুটে চলাচল শুরু করলে
দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে রংপুর বাস মালিক সমিতি গোল্ডেন লাইন
পরিবহনের বাস চলাচল বন্ধ করে দিলে ১০ রুটে অন্য কোম্পানির বাস চলাচলও ১২
সেপ্টেম্বর থেকে বন্ধ হয়ে যায়। এক্ষেত্রে অন্য বাস কোম্পানিগুলোর অভিযোগ,
গোল্ডেন লাইনের লোকজন ফরিদপুর জেলার ওপর দিয়ে উত্তরবঙ্গ রুটের অন্য কোনো
কোম্পানির বাস চলতে দিচ্ছে না। গোল্ডেন লাইন কোম্পানির মালিকের বাড়ি
ফরিদপুর এবং তারা ফরিদপুর জেলা মালিক সমিতির অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় তারা সেখানে
ক্ষমতা দেখাচ্ছে। জাহাঙ্গীর হাওলাদার বলেন, বরিশাল থেকে উত্তরবঙ্গের ১০
জেলায় তুহিন পরিবহন. পদ্মা পরিবহন, সোমা পরিবহন ও ঈশা পরিবহন কোম্পানির
গাড়ি চলাচল করত।
গোল্ডেন লাইন কোম্পানির ব্যবস্থাপক মো.
রিপন বলেন, প্রয়োজনীয় অনুমতি নিয়েই তাদের কোম্পানির ১০টি বাস
বরিশাল-উত্তরবঙ্গ রুটে চলাচল শুরু করে। নাটোর ও রংপুর জেলা বাস সমিতি তাদের
বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে। একই রুটে অন্য কোম্পানির বাস চলতে ফরিদপুর
থেকে বাধা দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেন মো. রিপন।
ফরিদপুর
জেলা বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান সিদ্দিকী বলেন, তারা
বিষয়টি সমাধানের জন্য সংশিল্গষ্ট জেলা বাস মালিকদের নিয়ে দফায় দফায় সভা
করছেন।রংপুর জেলা মোটর মালিক সমিতির যুগ্ম সম্পাদক এ কে এম আজিজুল ইসলাম
রাজু বলেন, গোল্ডেন লাইনের বাসে লোকাল যাত্রী বহন করায় তাদের দিনের
পরিবর্তে রাতে চলাচল করতে বলা হয়েছিল। এ কারণে তারা তাদের সার্ভিস বন্ধ
রেখেছে। অন্য কোম্পানির বাস চলতে ফরিদপুর থেকে বাধা দেওয়া হচ্ছে কি-না তা
তাদের জানা নেই।
