প্রকাশকালঃ
বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৪
সস্পাদনায়
Unknown
মুশফিক-মন্ডির গায়ে হলুদ আজ
স্পোর্টস ডেস্ক: আংটি বদল হয়েছিল বেশ আগেই, গত বছরের অক্টোবরের ২৬ তারিখ। কনের নামটাও জানা গিয়েছে তখনই। এবার মুশফিকের মেয়ে ভক্তদের হৃদয় পুরোপুরি ভাঙতে চলেছে। আগামী ২৫শে সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমের সহধর্মিণী হয়ে ক্রিকেটের ফার্স্ট লেডি হতে চলেছেন জান্নাতুল কিফায়াত মন্ডি। জান্নাতুল কিফায়াত মন্ডির বড় বোন জান্নাতুল কাওসার মিষ্টি। মিষ্টি মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের স্ত্রী। তিন বোনের মধ্যে মন্ডির স্থান তৃতীয়। বিয়ের কারণে এশিয়ান গেমসের বাংলাদেশ দলে থাকতে পারছেন না মুশফিক। ক্রিকেট মাঠে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর এই প্রথম ব্যক্তিগত কারণে খেলছেন না কদিন আগে ২৬ বছর পূর্ণ করা এই উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান, তাও বিয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ কারণে।
মুশফিকের হবু স্ত্রী মন্ডি ঢাকার প্রাইম বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স ৪র্থ বর্ষের ছাত্রী, পড়ছেন বিবিএ নিয়ে। তাঁর আরেক পরিচয়, অলরাউন্ডার ও সাবেক সহ-অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ্ রিয়াদের আপন শ্যালিকা তিনি। যার অর্থ, কবুল বলার সাথে সাথে মন্ডির স্বামী হওয়ার পাশাপাশি মুশফিক হয়ে যাচ্ছেন সতীর্থ মাহমুদুল্লাহর ভায়রাও! বুধবার মুশফিক-মন্ডির গায়ে হলুদ। অনুষ্ঠিত হবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পাশে অবস্থিত বিমানবাহিনীর ফ্যালকন কনভেনশন সেন্টারে।
বিয়ে নিয়ে দুই পরিবারে স্বাভাবিকভাবেই তুমুল আনন্দ-উত্তেজনা। জাতীয় দলের দুই ক্রিকেটারকে মেয়ের জামাই হিসেবে পেয়ে মন্ডির বাবা সাবেক সরকারী কর্মকর্তা যেন আনন্দে আত্মহারা। উৎসবের আমেজে আছেন মুশফিকের বাবা মাহবুব হামিদও। গায়েহলুদ অনুষ্ঠানের একদিন পর ২৫ সেপ্টেম্বরই বিয়ে, সে হিসেবেই চলছে প্রস্তুতি। বিবাহোত্তর সংবর্ধনাটা হবে ২৭ তারিখ। আপ্যায়ন নিয়ে কিছু রাখঢাক রাখা হয়েছে, জাতীয় দলের অধিনায়কের বিয়ে বলে কথা! তবে গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সবাইই আছেন অতিথিদের তালিকায়। যদিও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারী কাজে আসতে পারবেন না বলে জানিয়েছিলেন। দলীয় কাজ থাকায় আসতে পারবেন না বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়াও। দাওয়াতের সময় আসার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ। দাওয়াতপত্র দিতে ভুলেননি নিজের শিক্ষালয় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ফারজানা ইসলামকেও। সব অনুষ্ঠানেই খেলোয়াড়দের আপ্যায়ন করার ব্যবস্থা করা হলেও পরিচিত সবাইকেই কিন্তু দাওয়াত দেওয়া হয়নি। কম অতিথি আপ্যায়নের ব্যাপারে মাহবুব হামিদ বলেছেন, ‘ঢাকা ছাড়াও মুশফিকের বিয়ে নিয়ে বগুড়ায় একটা ঘরোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করব ১০ অক্টোবর। সেখানে পারিবারিক আত্মীয়-স্বজনকে দাওয়াত করা হবে। দুই পরিবারের আত্মীয়-স্বজনেরা মিলে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।’
মুশফিকের হবু স্ত্রী মন্ডি ঢাকার প্রাইম বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স ৪র্থ বর্ষের ছাত্রী, পড়ছেন বিবিএ নিয়ে। তাঁর আরেক পরিচয়, অলরাউন্ডার ও সাবেক সহ-অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ্ রিয়াদের আপন শ্যালিকা তিনি। যার অর্থ, কবুল বলার সাথে সাথে মন্ডির স্বামী হওয়ার পাশাপাশি মুশফিক হয়ে যাচ্ছেন সতীর্থ মাহমুদুল্লাহর ভায়রাও! বুধবার মুশফিক-মন্ডির গায়ে হলুদ। অনুষ্ঠিত হবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পাশে অবস্থিত বিমানবাহিনীর ফ্যালকন কনভেনশন সেন্টারে।
বিয়ে নিয়ে দুই পরিবারে স্বাভাবিকভাবেই তুমুল আনন্দ-উত্তেজনা। জাতীয় দলের দুই ক্রিকেটারকে মেয়ের জামাই হিসেবে পেয়ে মন্ডির বাবা সাবেক সরকারী কর্মকর্তা যেন আনন্দে আত্মহারা। উৎসবের আমেজে আছেন মুশফিকের বাবা মাহবুব হামিদও। গায়েহলুদ অনুষ্ঠানের একদিন পর ২৫ সেপ্টেম্বরই বিয়ে, সে হিসেবেই চলছে প্রস্তুতি। বিবাহোত্তর সংবর্ধনাটা হবে ২৭ তারিখ। আপ্যায়ন নিয়ে কিছু রাখঢাক রাখা হয়েছে, জাতীয় দলের অধিনায়কের বিয়ে বলে কথা! তবে গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সবাইই আছেন অতিথিদের তালিকায়। যদিও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারী কাজে আসতে পারবেন না বলে জানিয়েছিলেন। দলীয় কাজ থাকায় আসতে পারবেন না বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়াও। দাওয়াতের সময় আসার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ। দাওয়াতপত্র দিতে ভুলেননি নিজের শিক্ষালয় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ফারজানা ইসলামকেও। সব অনুষ্ঠানেই খেলোয়াড়দের আপ্যায়ন করার ব্যবস্থা করা হলেও পরিচিত সবাইকেই কিন্তু দাওয়াত দেওয়া হয়নি। কম অতিথি আপ্যায়নের ব্যাপারে মাহবুব হামিদ বলেছেন, ‘ঢাকা ছাড়াও মুশফিকের বিয়ে নিয়ে বগুড়ায় একটা ঘরোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করব ১০ অক্টোবর। সেখানে পারিবারিক আত্মীয়-স্বজনকে দাওয়াত করা হবে। দুই পরিবারের আত্মীয়-স্বজনেরা মিলে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।’
