প্রকাশকালঃ
বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৪
সস্পাদনায়
Unknown
নওয়াজের সঙ্গে দেখা করবেন না মোদী
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন উপলক্ষে নিউ ইয়র্ক সফরে নওয়াজ শরীফের সঙ্গে সাক্ষাৎ হচ্ছে না নরেন্দ্র মোদীর।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সৈয়দ আকবরউদ্দিন বলেন, “পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফের সঙ্গে আপাতত বৈঠক করছেন না ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। যুক্তরাষ্ট্রে তার (নরেন্দ্র মোদী) ব্যস্ত সফরসূচিতে এটা নেই।”
পাকিস্তান সেনাবাহিনীর আপত্তি অগ্রাহ্য করে মোদীর আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে গত মে মাসে নয়া দিল্লিতে তার শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দেন নওয়াজ শরীফ। ওই সফরে কাশ্মীর ইস্যু না তোলার জন্যও তাকে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়তে হয়।
নয়া দিল্লি থেকে দেশে ফেরার পর ধর্মীয় নেতা তাহির উল-কাদরি ও ক্রিকেটার থেকে রাজনীতিতে আসা ইমরান খানের তোপের মুখে পড়েন নওয়াজ শরীফ।
মোদী ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত বিজেপির এক শীর্ষ নেতা বলেন, “নওয়াজের সঙ্গে এখন সাক্ষাৎ হলে ভারতের সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদের আওতায় কাশ্মীরের স্বায়ত্ত্বশাসন প্রত্যাহারের পরিকল্পনা নিয়ে অস্বস্তিকর প্রশ্নের মুখে পড়তে হতে পারে মোদীর। তাই আপাত সাক্ষাৎ এড়িয়ে যাওয়াই ভালো।
“তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশকে ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে দেখা হচ্ছে এবং তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি সই ও স্থল সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে মোদী তাকে আশ্বস্ত করতে চান।”
ওই বিজেপি নেতা বলেন, “এবার বাংলাদেশকে দেয়ার পালা। তার কিছু বাস্তবে দেখানোর প্রস্তুতি নিয়ে শিগগিরই বাংলাদেশ সফরে যেতে আগ্রহী মোদী।”
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সৈয়দ আকবরউদ্দিন বলেন, “পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফের সঙ্গে আপাতত বৈঠক করছেন না ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। যুক্তরাষ্ট্রে তার (নরেন্দ্র মোদী) ব্যস্ত সফরসূচিতে এটা নেই।”
পাকিস্তান সেনাবাহিনীর আপত্তি অগ্রাহ্য করে মোদীর আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে গত মে মাসে নয়া দিল্লিতে তার শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দেন নওয়াজ শরীফ। ওই সফরে কাশ্মীর ইস্যু না তোলার জন্যও তাকে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়তে হয়।
নয়া দিল্লি থেকে দেশে ফেরার পর ধর্মীয় নেতা তাহির উল-কাদরি ও ক্রিকেটার থেকে রাজনীতিতে আসা ইমরান খানের তোপের মুখে পড়েন নওয়াজ শরীফ।
মোদী ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত বিজেপির এক শীর্ষ নেতা বলেন, “নওয়াজের সঙ্গে এখন সাক্ষাৎ হলে ভারতের সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদের আওতায় কাশ্মীরের স্বায়ত্ত্বশাসন প্রত্যাহারের পরিকল্পনা নিয়ে অস্বস্তিকর প্রশ্নের মুখে পড়তে হতে পারে মোদীর। তাই আপাত সাক্ষাৎ এড়িয়ে যাওয়াই ভালো।
“তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশকে ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে দেখা হচ্ছে এবং তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি সই ও স্থল সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে মোদী তাকে আশ্বস্ত করতে চান।”
ওই বিজেপি নেতা বলেন, “এবার বাংলাদেশকে দেয়ার পালা। তার কিছু বাস্তবে দেখানোর প্রস্তুতি নিয়ে শিগগিরই বাংলাদেশ সফরে যেতে আগ্রহী মোদী।”
