প্রকাশকালঃ
বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৪
সস্পাদনায়
Unknown
অপারেশন থিয়েটার থেকে ছড়াচ্ছে ভাইরাস
স্থানীয় প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের গাইনি বিভাগের অপারেশন থিয়েটারে দেখা দিয়েছে ভয়াবহ ভাইরাস। এই ভাইরাসের কারণে প্রসূতির ক্ষতস্থানে ইনফেকশন দেখা দিয়েছে। কী কারণে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে তার সঠিক কারণ জানতে পারেনি সংশ্লিষ্টরা।
তবে এ ঘটনায় ২১ সেপ্টেম্বর তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে সিভিল সার্জন ও হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. সালেহ আহমেদ। কমিটিকে সাতদিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা থাকলে বৃহস্পতিবার তা জমা দেওয়া হবে।
তদন্ত টিমের সদস্য ডা. ফারহানা হোসেন বলেন, ‘সুনির্দিষ্ট করে কোনো কারন জানা নাই কীভাবে ইনফেকশন ছড়াচ্ছে। কারণ প্রত্যেককে আলাদা করে পরীক্ষা করারও সুযোগ নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘বাইরের রোগীরাও এখানে ড্রেসিং করতে আসেন। সেখান থেকে ভাইরাসটি ছড়ানোর সম্ভাবনা বেশি।’ ইনফেকশন এড়াতে হাসপাতালে আলাদা সেফটি কর্নার চালুর সুপারিশ করেন তিনি।
জেলার দেবহাটা উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের রবিউল ইসলামের স্ত্রী মোছা. রেশমা খাতুনকে ১০ সেপ্টেম্বর সদর হাসপাতালের গাইনি বিভাগে সিজারিয়ান অপারেশন করানো হয়। অপারেশন শেষে তার শরীরে ইনফেকশন দেখা দিয়েছে। অপারেশনের এতদিনেও তার ক্ষতস্থান জোড়া লাগেনি।
সিভিল সার্জন ডা. সালেহ আহমেদ বলেন, ‘এ ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তিন সদস্যের কমিটি গঠিত হয়েছে। কমিটি বৃহস্পতিবার প্রতিবেদন জমা দেবে। ভাইরাস নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন।’
তদন্ত টিমের প্রধান ডা. রহিমা খাতুন বলেন, ‘ভাইরাস কীভাবে বিস্তার করেছে তার কারণ সুনির্দিষ্টভাবে বলা সম্ভব নয়। তবে তদন্তে অতিরিক্ত রোগীর চাপ, ক্রস ইনফেকশন, লাগামহীন ভিজিটর, কোনো কোনো ক্ষেত্রে এন্টিবায়েটিক কাজ না করাসহ বেশ কিছু বিষয় উঠে এসেছে।’
তবে এ ঘটনায় ২১ সেপ্টেম্বর তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে সিভিল সার্জন ও হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. সালেহ আহমেদ। কমিটিকে সাতদিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা থাকলে বৃহস্পতিবার তা জমা দেওয়া হবে।
তদন্ত টিমের সদস্য ডা. ফারহানা হোসেন বলেন, ‘সুনির্দিষ্ট করে কোনো কারন জানা নাই কীভাবে ইনফেকশন ছড়াচ্ছে। কারণ প্রত্যেককে আলাদা করে পরীক্ষা করারও সুযোগ নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘বাইরের রোগীরাও এখানে ড্রেসিং করতে আসেন। সেখান থেকে ভাইরাসটি ছড়ানোর সম্ভাবনা বেশি।’ ইনফেকশন এড়াতে হাসপাতালে আলাদা সেফটি কর্নার চালুর সুপারিশ করেন তিনি।
জেলার দেবহাটা উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের রবিউল ইসলামের স্ত্রী মোছা. রেশমা খাতুনকে ১০ সেপ্টেম্বর সদর হাসপাতালের গাইনি বিভাগে সিজারিয়ান অপারেশন করানো হয়। অপারেশন শেষে তার শরীরে ইনফেকশন দেখা দিয়েছে। অপারেশনের এতদিনেও তার ক্ষতস্থান জোড়া লাগেনি।
সিভিল সার্জন ডা. সালেহ আহমেদ বলেন, ‘এ ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তিন সদস্যের কমিটি গঠিত হয়েছে। কমিটি বৃহস্পতিবার প্রতিবেদন জমা দেবে। ভাইরাস নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন।’
তদন্ত টিমের প্রধান ডা. রহিমা খাতুন বলেন, ‘ভাইরাস কীভাবে বিস্তার করেছে তার কারণ সুনির্দিষ্টভাবে বলা সম্ভব নয়। তবে তদন্তে অতিরিক্ত রোগীর চাপ, ক্রস ইনফেকশন, লাগামহীন ভিজিটর, কোনো কোনো ক্ষেত্রে এন্টিবায়েটিক কাজ না করাসহ বেশ কিছু বিষয় উঠে এসেছে।’
