প্রকাশকালঃ
বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৪
সস্পাদনায়
Unknown
সাবধান ! নুডলসে আফিম
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বিক্রি বাট্টা বাড়াতে আফিমের বিচি মেশানো নুডলস বিক্রি করার কথা স্বীকার করেছেন এক
বিক্রেতা। ঘটনাটি ঘটেছে চীনের শানঝি প্রদেশের ইয়ানান এলাকার এক নুডলসের দোকানে। লিউ জুইয়ু নামের এক কাস্টমার সম্প্রতি ইউরিন টেস্ট করানোর পর বিষয়টি প্রকাশ পায়। পরীক্ষায় তার শরীরে মাদক গ্রহণের প্রমাণ মেলে। এতে তিনি বিস্মিত হয়ে যান। কেননা জীবনে কোনোদিন দিন মাদক নেননি। তবে পরীক্ষার কয়েক ঘণ্টা আগে তিনি ওই দোকান থেকে নুডলম খেয়েছিলেন।
এতে লিউ জুইয়ুর সন্দেহ হয। তিনি তার নিকটাত্মীয়দের ওই দোকানে পাঠান এবং সেখানে নুডলস খাওয়ার পর তাদেরও ইউরিন টেস্ট করান। পরীক্ষায় সকলের দেহে মাদকের অস্তিত্ব ধরা পরে। পরে তার অভিযোগের ভিত্তিতে দোকানি জাংকে আটক করেন পুলিশ। তিনি পুলিশের কাছে নুডলসে মাদক মেশানোর কথা স্বীকার করেন।
জাং বলেন, গত মাসে তিনি ১শ ডলার দিয়ে ২ কেজি পপি বীজ কিনে গুড়া করে রেখে দেন। পরে এগুলো তিনি নুডলসের সঙ্গে মেশাতে থাকেন। ক্রেতা সংখ্যা বাড়ানোর জন্যই তিনি এ কাণ্ড করেন বলে জানা গেছে।
চীনে মজাদার সস তৈরিতে পপি বীজ ছিল একটি জনপ্রিয় উপাদান। কিন্তু চীনা সরকার এর ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে। এটি ব্যবহার করা বর্তমানে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত।
বিক্রেতা। ঘটনাটি ঘটেছে চীনের শানঝি প্রদেশের ইয়ানান এলাকার এক নুডলসের দোকানে। লিউ জুইয়ু নামের এক কাস্টমার সম্প্রতি ইউরিন টেস্ট করানোর পর বিষয়টি প্রকাশ পায়। পরীক্ষায় তার শরীরে মাদক গ্রহণের প্রমাণ মেলে। এতে তিনি বিস্মিত হয়ে যান। কেননা জীবনে কোনোদিন দিন মাদক নেননি। তবে পরীক্ষার কয়েক ঘণ্টা আগে তিনি ওই দোকান থেকে নুডলম খেয়েছিলেন।
এতে লিউ জুইয়ুর সন্দেহ হয। তিনি তার নিকটাত্মীয়দের ওই দোকানে পাঠান এবং সেখানে নুডলস খাওয়ার পর তাদেরও ইউরিন টেস্ট করান। পরীক্ষায় সকলের দেহে মাদকের অস্তিত্ব ধরা পরে। পরে তার অভিযোগের ভিত্তিতে দোকানি জাংকে আটক করেন পুলিশ। তিনি পুলিশের কাছে নুডলসে মাদক মেশানোর কথা স্বীকার করেন।
জাং বলেন, গত মাসে তিনি ১শ ডলার দিয়ে ২ কেজি পপি বীজ কিনে গুড়া করে রেখে দেন। পরে এগুলো তিনি নুডলসের সঙ্গে মেশাতে থাকেন। ক্রেতা সংখ্যা বাড়ানোর জন্যই তিনি এ কাণ্ড করেন বলে জানা গেছে।
চীনে মজাদার সস তৈরিতে পপি বীজ ছিল একটি জনপ্রিয় উপাদান। কিন্তু চীনা সরকার এর ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে। এটি ব্যবহার করা বর্তমানে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত।
