প্রকাশকালঃ
শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৪
সস্পাদনায়
Unknown
পদ্মা সেতু নিয়ে অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছেঃ প্রধানমন্ত্রী
স্থানীয় প্রতিনিধি: পদ্মা সেতু নিয়ে অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছে। দুর্নীতির অপবাদ দেওয়া হয়েছে। আমি প্রতিবাদ করেছি, চ্যালেঞ্জ করেছি। শেষ পর্যন্ত নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। ২০১৮ সালের মধ্যে পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ করা হবে বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
শুক্রবার সকাল ১১টায় টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধ কমপ্লেক্সের পাবলিক প্লাজায় আয়োজিত বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের এক সুধী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নের জন্য এরইমধ্যে বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাজ চলছে। পদ্মার এপারে একটা হাহাকার ছিল। দক্ষিণাঞ্চল উন্নয়ন বঞ্চিত ছিলো। আমরা ক্ষমতায় আসার পর দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়ন করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়ায় ১২ হাজার পরিবারকে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়েছে। আগামীতে দেশের প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়া হবে।
প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ৫ কোটি পরিবারকে নিম্নবিত্ত থেকে মধ্যবিত্তে রূপান্তর করা হয়েছে। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীতে ৩১ কোটি ৭ লাখ বই বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে। পল্লী জনপদ নামে একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে পল্লী এলাকার মানুষ গরু, ছাগল ও হাঁস-মুরগী লালন-পালন করবে। এতে তাদের অর্থনৈতিক উনন্নয়ন হবে।
বিএনপিকে খাওয়া পার্টি আখ্যা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা সব সেক্টরে দুর্নীতি করেছে। দেশের উন্নয়নের ধারা নষ্ট করেছে। জঙ্গিবাদ সৃষ্টি করেছে। তাই দেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে আর কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেয়া হবে।
এ সময় তিনি বিএনপিকে ইয়াহিয়া খানের বংশধর বলেও উল্লেখ করেন। জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণ করে সোনার বাংলা তৈরির আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী।
জাতির সংঘের বিশেষ অধিবেশনে যোগদানের পূর্বে তিনি বঙ্গবন্ধু প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে টুঙ্গিপাড়া আসেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নের জন্য এরইমধ্যে বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাজ চলছে। পদ্মার এপারে একটা হাহাকার ছিল। দক্ষিণাঞ্চল উন্নয়ন বঞ্চিত ছিলো। আমরা ক্ষমতায় আসার পর দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়ন করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়ায় ১২ হাজার পরিবারকে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়েছে। আগামীতে দেশের প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়া হবে।
প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ৫ কোটি পরিবারকে নিম্নবিত্ত থেকে মধ্যবিত্তে রূপান্তর করা হয়েছে। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীতে ৩১ কোটি ৭ লাখ বই বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে। পল্লী জনপদ নামে একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে পল্লী এলাকার মানুষ গরু, ছাগল ও হাঁস-মুরগী লালন-পালন করবে। এতে তাদের অর্থনৈতিক উনন্নয়ন হবে।
বিএনপিকে খাওয়া পার্টি আখ্যা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা সব সেক্টরে দুর্নীতি করেছে। দেশের উন্নয়নের ধারা নষ্ট করেছে। জঙ্গিবাদ সৃষ্টি করেছে। তাই দেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে আর কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেয়া হবে।
এ সময় তিনি বিএনপিকে ইয়াহিয়া খানের বংশধর বলেও উল্লেখ করেন। জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণ করে সোনার বাংলা তৈরির আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী।
জাতির সংঘের বিশেষ অধিবেশনে যোগদানের পূর্বে তিনি বঙ্গবন্ধু প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে টুঙ্গিপাড়া আসেন।
প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধ কমপ্লেক্স ও আশপাশের এলাকায় নেওয়া হয় ব্যাপক নিরাপত্তা। টুঙ্গিপাড়ায় ঢোকার প্রতিটি প্রবেশ দ্বারে তল্লাশি চালানো হয়।
বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীর ঢাকা উদ্দেশে টুঙ্গিপাড়া ত্যাগ করার কথা রয়েছে।
বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীর ঢাকা উদ্দেশে টুঙ্গিপাড়া ত্যাগ করার কথা রয়েছে।