প্রকাশকালঃ
শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৪
সস্পাদনায়
Unknown
সাময়িক বরখাস্ত কয়রা থানার ওসি
স্থানীয় প্রতিনিধি: দায়িত্ব পালনে অবহেলার অভিযোগে খুলনার কয়রা থানার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুবীর দত্তকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সাথেসাথে তাকে রংপুর রেঞ্জে সংযুক্ত হওয়ার নির্দেশ দেয়া হযেছে। বৃস্পতিবার রাতে এ সংক্রান্ত দাপ্তরিক আদেশ সুরীর দত্তের হাতে পৌঁছেছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সুবীর দত্ত বলেন, ‘পুলিশ হেডকোয়াটার্স থেকে এক আদেশে আমাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। মহাপুলিশ পরিদর্শক স্বাক্ষরিত সাময়িক বরখাস্তের আদেশে দ্রুত রংপুর পুলিশের ডিআইজি দপ্তরে সংযুক্ত হওয়ার কথাও বলা হয়েছে।
এ ব্যাপারে খুলনার পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান বলেন, ‘কয়রা উপজেলায় একটি সার্কাস প্রদশর্নীতে দর্শকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সেখানে পুলিশের তিন কর্মকর্তাসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবীর দত্ত তা নিযন্ত্রনে ব্যর্থ হন। এ ঘটনার পর পুলিশ হেডকোয়াটার্স থেকে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন অনুযায়ী তাকে সাময়িক বরখাস্তের আদেশ দেয়া হয়েছে।’
উল্লেখ্য, কয়রার উত্তর বেদকাশি কাছারী বাড়ি প্রাঙ্গণে ১০ দিনব্যাপী বৃক্ষমেলা উপলক্ষে সার্কাসের আয়োজন করা হয়। ১৪ সেপ্টেম্বর রাতে প্রদর্শনীতে স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের বিনা টিকিটে প্রবেশের অনুমতি না দেয়ায় তারা সার্কাসের মালিক সেলিম রেজা ও এএসআই অলক কুমার দত্ত ও মৃত্যুঞ্জয় মণ্ডলকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে আহত করে।
এ ঘটনায় এএসআই মৃত্যুঞ্জয় মণ্ডল বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন। রাতেই খুলনার পুলিশ সুপার এক বার্তায় সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবীর দত্তকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত হওয়ার আদেশ দেন।
ঘটনা তদন্তে পুলিশ হেডকোয়ার্স থেকে খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি, পুলিশ সুপার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ তিন সদস্যের উচ্চ পর্যায়ের একটি কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রতিবেদন জমা দেয়ার পর বৃহস্পতিবার রাতে সুবীর দত্তকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সুবীর দত্ত বলেন, ‘পুলিশ হেডকোয়াটার্স থেকে এক আদেশে আমাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। মহাপুলিশ পরিদর্শক স্বাক্ষরিত সাময়িক বরখাস্তের আদেশে দ্রুত রংপুর পুলিশের ডিআইজি দপ্তরে সংযুক্ত হওয়ার কথাও বলা হয়েছে।
এ ব্যাপারে খুলনার পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান বলেন, ‘কয়রা উপজেলায় একটি সার্কাস প্রদশর্নীতে দর্শকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সেখানে পুলিশের তিন কর্মকর্তাসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবীর দত্ত তা নিযন্ত্রনে ব্যর্থ হন। এ ঘটনার পর পুলিশ হেডকোয়াটার্স থেকে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন অনুযায়ী তাকে সাময়িক বরখাস্তের আদেশ দেয়া হয়েছে।’
উল্লেখ্য, কয়রার উত্তর বেদকাশি কাছারী বাড়ি প্রাঙ্গণে ১০ দিনব্যাপী বৃক্ষমেলা উপলক্ষে সার্কাসের আয়োজন করা হয়। ১৪ সেপ্টেম্বর রাতে প্রদর্শনীতে স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের বিনা টিকিটে প্রবেশের অনুমতি না দেয়ায় তারা সার্কাসের মালিক সেলিম রেজা ও এএসআই অলক কুমার দত্ত ও মৃত্যুঞ্জয় মণ্ডলকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে আহত করে।
এ ঘটনায় এএসআই মৃত্যুঞ্জয় মণ্ডল বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন। রাতেই খুলনার পুলিশ সুপার এক বার্তায় সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবীর দত্তকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত হওয়ার আদেশ দেন।
ঘটনা তদন্তে পুলিশ হেডকোয়ার্স থেকে খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি, পুলিশ সুপার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ তিন সদস্যের উচ্চ পর্যায়ের একটি কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রতিবেদন জমা দেয়ার পর বৃহস্পতিবার রাতে সুবীর দত্তকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
