প্রকাশকালঃ
শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৪
সস্পাদনায়
Unknown
দেশের মানুষ ষড়যন্ত্রকারীদের ক্ষমা করবে না: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী
স্থানীয় প্রতিনিধি: দেশের মানুষ ষড়যন্ত্রকারীদের ক্ষমা করবে না, বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজ্জামেল হক।
তিনি বলেন, খন্দকার মোস্তাক, জিয়াউর রহমান, মাহবুব আলমরা বাংলাদেশকে পাকিস্তান বানিয়ে
রাখতেই চেয়ে ছিল। এ কে খন্দকারও তাদের পথে হাঁটছেন। দলের মধ্যে ঘাপটি মেরে
বসে ছিলেন তিনি। আমি তাদের বিচার দাবি করছি।
মন্ত্রী বলেন, এমন সময় এ কে খন্দকার বঙ্গবন্ধুকে কটাক্ষ করে বই প্রকাশ করেছেন যখন আমেরিকা শেখ হাসিনাকে সরকারে দেখতে চায় না। অন্যদিকে জঙ্গি সংগঠন আল কায়দা হুমকি দিচ্ছে। দেশের বিভিন্ন জায়গায় জঙ্গিরাও ধরা পড়ছে। ঠিক এমন সময় এ কে খন্দকার বইটি প্রকাশ করেছেন।
শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টায় নারায়ণগঞ্জের বন্দর খেয়াঘাট এলাকায় স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মামনা ক্রেস্ট তুলে দেওয়া ও বিজ্ঞান প্রযুক্তি ও শিল্পায়ন যাদুঘর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিজ্ঞান প্রযুক্তি ও শিল্পায়ন যাদুঘরের প্রধান উপদেষ্টা কুতুবউদ্দিন খান।
এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, যারা ভুল তথ্য দিয়ে সার্টিফিকেট মুক্তিযোদ্ধা নিয়েছেন, সেই সব ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে। এছাড়াও আগামী জুলাই মাস থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা ১০ হাজার টাকা করার চিন্তা করা হচ্ছে।
সভায় নারায়ণগঞ্জ-৫ (শহর-বন্দর) আসনের সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে প্রতিটি জেলায় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স নির্মাণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ জন্য প্রত্যেক জেলা আড়াই কোটি টাকা করে বরাদ্দ রয়েছে।
আমি বন্দরের মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনা করেছি। বন্দরে রেলওয়ের জমি রয়েছে। সেগুলো উদ্ধার করে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে। সেই সঙ্গে ঘোষণা দিচ্ছি আগামী ১৬ ডিসেম্বরের আগেই বন্দরে মুক্তিযোদ্ধাদের অফিস নির্মাণ করা হবে। সেটা সরকারি বরাদ্দ আসুক আর নাই বা আসুক।
শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টায় নারায়ণগঞ্জের বন্দর খেয়াঘাট এলাকায় স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মামনা ক্রেস্ট তুলে দেওয়া ও বিজ্ঞান প্রযুক্তি ও শিল্পায়ন যাদুঘর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিজ্ঞান প্রযুক্তি ও শিল্পায়ন যাদুঘরের প্রধান উপদেষ্টা কুতুবউদ্দিন খান।
এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, যারা ভুল তথ্য দিয়ে সার্টিফিকেট মুক্তিযোদ্ধা নিয়েছেন, সেই সব ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে। এছাড়াও আগামী জুলাই মাস থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা ১০ হাজার টাকা করার চিন্তা করা হচ্ছে।
সভায় নারায়ণগঞ্জ-৫ (শহর-বন্দর) আসনের সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে প্রতিটি জেলায় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স নির্মাণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ জন্য প্রত্যেক জেলা আড়াই কোটি টাকা করে বরাদ্দ রয়েছে।
আমি বন্দরের মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনা করেছি। বন্দরে রেলওয়ের জমি রয়েছে। সেগুলো উদ্ধার করে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে। সেই সঙ্গে ঘোষণা দিচ্ছি আগামী ১৬ ডিসেম্বরের আগেই বন্দরে মুক্তিযোদ্ধাদের অফিস নির্মাণ করা হবে। সেটা সরকারি বরাদ্দ আসুক আর নাই বা আসুক।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ-৫ (শহর-বন্দর)
আসনের সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান, জেলা প্রশাসক আনিসুর রহমান মিঞা, জেলা
মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোহাম্মদ আলী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক)
মাহমুদুর রহমান হাবিব, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) সাজ্জাদুর রহমান।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বন্দর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), বন্দর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ রশিদ, জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি আবুল জাহের প্রমুখ।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বন্দর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), বন্দর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ রশিদ, জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি আবুল জাহের প্রমুখ।