প্রকাশকালঃ
শনিবার, ৪ অক্টোবর, ২০১৪
সস্পাদনায়
Unknown
সৌদিতে উদযাপিত হচ্ছে ঈদ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: আজ সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে উদযাপিত হচ্ছে ঈদুল আজহা। শনিবার সৌদিতে সবচেয়ে বড় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে পবিত্র মসজিদুল হারামে। এছাড়া মদিনা আল মনোয়ারা মসজিদে নববী, রিয়াদের ধিরা মসজিদসহ বড় বড় শহরগুলোতে হবে অসংখ্য ঈদের জামাত।
এর আগে গতকাল শুক্রবার থেকেই শুরু হয়েছে পবিত্র হজব্রত পালন। শুক্রবার থেকে শুরু হওয়ায় এবারের হজ পেয়েছে ‘হজে আকবর’ এর মর্যাদা।
মোসলমানদের বৃহত্তম ধর্মীয় জমায়েত পবিত্র হজে বিশ্বের ১৬৩টি দেশ থেকে আগত ২০ লাখ মানুষ ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক- হে আল্লাহ, তোমার ডাকে আমি হাজির’ ধ্বনিতে গতকাল শুক্রবার মুখরিত হয়েছে সৌদি আরবের আরাফাত ময়দান। মহান আল্লাহর কাছে ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের অন্যতম হজ পালন করতে আসা মানুষদের এই সমবেত কণ্ঠের এই আকুল আনুগত্যের ধ্বনি ছড়িয়ে পড়েছে সারা বিশ্বের প্রতিটি মোসলমানের হৃদয়ে।
শনিবার ১০ জিলহজ ফযরের নামাযের পর হাজীরা ফিরবেন মিনায়। সূর্য পশ্চিম আকাশে ঢলে পড়লেই কংকর নিক্ষেপ করবেন শয়তানের উদ্দেশে। কংকর নিক্ষেপ শেষে পশু কোরবানি করে মাথার চুল মুণ্ডনের মাধ্যমে ইহরাম ত্যাগ করবেন তারা।
একইভাবে ১১ জিলহজ ও ১২ জিলহজ শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ করবেন। হাজিরা ১০, ১১ ও ১২ তারিখ যে কোনো একদিন সুবিধা মতো সময়ে সেরে নেবেন হজের অবশ্য করণীয় একটি ফরজ পবিত্র কাবা শরিফ তাওয়াফ।
হজ উপলক্ষে মক্কা, মিনা, মুজদালিফা ও আরাফাত সর্বত্রই রয়েছে সৌদি নিরাপত্তা বাহিনীর কড়া নজরদারি। অগ্নিনির্বাপণ ও স্বাস্থ্যসেবা কর্মীরা ছিলেন তত্পর। সৌদি টেলিভিশন ২৪ ঘণ্টা সরাসরি সম্প্রচার করছে হজের যাবতীয় কার্যক্রম।
এর আগে গতকাল শুক্রবার থেকেই শুরু হয়েছে পবিত্র হজব্রত পালন। শুক্রবার থেকে শুরু হওয়ায় এবারের হজ পেয়েছে ‘হজে আকবর’ এর মর্যাদা।
মোসলমানদের বৃহত্তম ধর্মীয় জমায়েত পবিত্র হজে বিশ্বের ১৬৩টি দেশ থেকে আগত ২০ লাখ মানুষ ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক- হে আল্লাহ, তোমার ডাকে আমি হাজির’ ধ্বনিতে গতকাল শুক্রবার মুখরিত হয়েছে সৌদি আরবের আরাফাত ময়দান। মহান আল্লাহর কাছে ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের অন্যতম হজ পালন করতে আসা মানুষদের এই সমবেত কণ্ঠের এই আকুল আনুগত্যের ধ্বনি ছড়িয়ে পড়েছে সারা বিশ্বের প্রতিটি মোসলমানের হৃদয়ে।
শনিবার ১০ জিলহজ ফযরের নামাযের পর হাজীরা ফিরবেন মিনায়। সূর্য পশ্চিম আকাশে ঢলে পড়লেই কংকর নিক্ষেপ করবেন শয়তানের উদ্দেশে। কংকর নিক্ষেপ শেষে পশু কোরবানি করে মাথার চুল মুণ্ডনের মাধ্যমে ইহরাম ত্যাগ করবেন তারা।
একইভাবে ১১ জিলহজ ও ১২ জিলহজ শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ করবেন। হাজিরা ১০, ১১ ও ১২ তারিখ যে কোনো একদিন সুবিধা মতো সময়ে সেরে নেবেন হজের অবশ্য করণীয় একটি ফরজ পবিত্র কাবা শরিফ তাওয়াফ।
হজ উপলক্ষে মক্কা, মিনা, মুজদালিফা ও আরাফাত সর্বত্রই রয়েছে সৌদি নিরাপত্তা বাহিনীর কড়া নজরদারি। অগ্নিনির্বাপণ ও স্বাস্থ্যসেবা কর্মীরা ছিলেন তত্পর। সৌদি টেলিভিশন ২৪ ঘণ্টা সরাসরি সম্প্রচার করছে হজের যাবতীয় কার্যক্রম।
