প্রকাশকালঃ
সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৪
সস্পাদনায়
Unknown
আফগানিস্তানের নতুন প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: আফগানিস্তানের বিতর্কিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আশরাফ গনিকে বিজয়ী ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। রোববার ক্ষমতার ভাগাভাগির প্রশ্নে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রধান দুই প্রার্থী আবদুল্লাহ আবদুল্লাহ এবং আশরাফ গনি একটি চুক্তিতে সই করার মাত্র কয়েক ঘণ্টা পর এ ঘোষণা দেয়া হয়।
এ চুক্তির মাধ্যমে এপ্রিল ও জুনে দুই দফায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পর দুই প্রার্থীর মধ্যে কয়েক মাস ধরে চলা দ্বন্ধ্বের অবসান ঘটল। চুক্তি অনুযায়ী দেশের প্রেসিডেন্ট হলেন গনি। অন্যদিকে সরকারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করতে যাচ্ছেন আবদুল্লাহ। প্রধানমন্ত্রীর সমমর্যাদার এই পদটি তার জন্য নতুন করে তৈরি করা হয়েছে।
আশরাফ গনি ও আব্দুল্লাহর বহুল প্রতীক্ষিত এ চুক্তি সই অনুষ্ঠানটি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সরাসরি প্রচার করা হয়।এর কয়েক ঘণ্টার পরই গনিকে প্রেসিন্টে নির্বাচনে বিজয়ী ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান আহমদ ইউসুফ নুরিস্তানি। তবে তিনি প্রার্থীদের প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা উল্লেখ করেননি। নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় বেশ কিছু ক্রটির কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, জাতিসংঘ নীরিক্ষায় ভোটের সবকটি ইস্যু সনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
এদিকে, রোববারের এ ক্ষমতা ভাগাভাগির চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে হোয়াইট হাউস। একইসঙ্গে আফগানিস্তানের জাতীয় ঐক্যের সরকারের সঙ্গে কাজ করারও আগ্রহ প্রকাশ করেছে ওয়াশিংটন। যুক্তরাষ্ট্র আশা করছে, এ মাস শেষ হওয়ার আগেই তারা আফগানিস্তানের নতুন সরকারের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক নিরাপত্তা চুক্তিতে পৌঁছাতে পারবে। প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাইয়ের বিরোধিতার কারণে দীর্ঘ চেষ্টার পরও চুক্তি বাস্তবায়ন করতে পারেনি ওবামা সরকার।
বিদায়ী প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাইয়ের মুখপাত্র আইমাল ফাইজি জানিয়েছেন, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে প্রেসিডেন্ট পদে শপথ নিতে পারেন আশরাফ। এছাড়া, অক্টোবরের পয়লা তারিখ থেকেই তাকে প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেসে দেখা যেতে পারে।
এদিকে কোয়ালিশন সরকার গঠনে মতৈক্যে পৌঁছানোয় আশরাফ ঘানি ও আব্দুল্লাহকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বিদায়ী প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাই। ক্ষমতা ভাগাভাগির ভিত্তিতে স্বাক্ষরিত এ চুক্তিটিকে তিনি দেশের প্রগতি ও উন্নয়নের সড়ক বলেও উল্লেখ করেছেন।
এ চুক্তির মাধ্যমে এপ্রিল ও জুনে দুই দফায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পর দুই প্রার্থীর মধ্যে কয়েক মাস ধরে চলা দ্বন্ধ্বের অবসান ঘটল। চুক্তি অনুযায়ী দেশের প্রেসিডেন্ট হলেন গনি। অন্যদিকে সরকারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করতে যাচ্ছেন আবদুল্লাহ। প্রধানমন্ত্রীর সমমর্যাদার এই পদটি তার জন্য নতুন করে তৈরি করা হয়েছে।
আশরাফ গনি ও আব্দুল্লাহর বহুল প্রতীক্ষিত এ চুক্তি সই অনুষ্ঠানটি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সরাসরি প্রচার করা হয়।এর কয়েক ঘণ্টার পরই গনিকে প্রেসিন্টে নির্বাচনে বিজয়ী ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান আহমদ ইউসুফ নুরিস্তানি। তবে তিনি প্রার্থীদের প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা উল্লেখ করেননি। নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় বেশ কিছু ক্রটির কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, জাতিসংঘ নীরিক্ষায় ভোটের সবকটি ইস্যু সনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
এদিকে, রোববারের এ ক্ষমতা ভাগাভাগির চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে হোয়াইট হাউস। একইসঙ্গে আফগানিস্তানের জাতীয় ঐক্যের সরকারের সঙ্গে কাজ করারও আগ্রহ প্রকাশ করেছে ওয়াশিংটন। যুক্তরাষ্ট্র আশা করছে, এ মাস শেষ হওয়ার আগেই তারা আফগানিস্তানের নতুন সরকারের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক নিরাপত্তা চুক্তিতে পৌঁছাতে পারবে। প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাইয়ের বিরোধিতার কারণে দীর্ঘ চেষ্টার পরও চুক্তি বাস্তবায়ন করতে পারেনি ওবামা সরকার।
বিদায়ী প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাইয়ের মুখপাত্র আইমাল ফাইজি জানিয়েছেন, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে প্রেসিডেন্ট পদে শপথ নিতে পারেন আশরাফ। এছাড়া, অক্টোবরের পয়লা তারিখ থেকেই তাকে প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেসে দেখা যেতে পারে।
এদিকে কোয়ালিশন সরকার গঠনে মতৈক্যে পৌঁছানোয় আশরাফ ঘানি ও আব্দুল্লাহকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বিদায়ী প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাই। ক্ষমতা ভাগাভাগির ভিত্তিতে স্বাক্ষরিত এ চুক্তিটিকে তিনি দেশের প্রগতি ও উন্নয়নের সড়ক বলেও উল্লেখ করেছেন।