প্রকাশকালঃ
সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৪
সস্পাদনায়
Unknown
ট্রাকচাপায় লোড-আনলোড শ্রমিকের মৃত্যু
স্থানীয় প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জের নিতাইগঞ্জ এলাকায় সোমবার বেলা ১১টায় ট্রাকচাপায় আল আমিন (২৫) নামের এক লোড-আনলোড শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।
এদিকে এ ঘটনার প্রতিবাদের সব ধরনের লোড আন লোড বন্ধ করে দিয়েছে শ্রমিকেরা। নিহত আল আমিন শীতলক্ষ্যার নলুয়াপাড়া এলাকায় শহিদ মিয়ার ছেলে। তিনি নিজাম ট্রেডার্সের লোড আনলোড শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
লোড-আনলোড শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন জানান, বেলা ১১টার দিকে আল আমিন একটি ট্রাক থেকে পণ্য আনলোড করছিলেন। এসময় অন্য একটি ট্রাক (নারায়ণগঞ্জ-ট ২১৫) এসে আল আমিনকে চাপা দেয়।
গুরুতর অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। শ্রমিকদের অভিযোগ ট্রাকটি ১২ বছর বয়সের হেলপার দুলু চালাচ্ছিলেন। এ ঘটনার পর থেকে হেলপার দুলু ও চালক রাজন পলাতক রয়েছে।
এর প্রতিবাদে সব ধরণের পণ্য লোড-আনলোড বন্ধ করে দিয়েছে শ্রমিকরা। লোড-আনলোড চালু করতে মালিক পক্ষের সন্ত্রাসীরা তাদের বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি দেখাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন রুহল আমিন। এ ঘটনায় নিতাইগঞ্জ এলাকায় লোড-আনলোড শ্রমিকদের মাধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
লোড-আনলোড শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ও সিটি করপোরেশনের ১৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কামরুল হাসান মুন্না জানান, শ্রমিকদের কাজ পণ্য লোড-আনলোড করা। কিন্তু তাদের কাজের নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টি করা মালিকদের দায়িত্ব। ট্রাকচাপায় আল আমিন মারা গেছে। আমরা কারো লাশ নিয়ে রাজনীতি করতে চাই না। মালিকদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে আল আমিনের পরিবারের জন্য কি ব্যবস্থা করা যায় সেই চেষ্টা করা হচ্ছে।
নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মঞ্জুর কাদের ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।
এদিকে এ ঘটনার প্রতিবাদের সব ধরনের লোড আন লোড বন্ধ করে দিয়েছে শ্রমিকেরা। নিহত আল আমিন শীতলক্ষ্যার নলুয়াপাড়া এলাকায় শহিদ মিয়ার ছেলে। তিনি নিজাম ট্রেডার্সের লোড আনলোড শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
লোড-আনলোড শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন জানান, বেলা ১১টার দিকে আল আমিন একটি ট্রাক থেকে পণ্য আনলোড করছিলেন। এসময় অন্য একটি ট্রাক (নারায়ণগঞ্জ-ট ২১৫) এসে আল আমিনকে চাপা দেয়।
গুরুতর অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। শ্রমিকদের অভিযোগ ট্রাকটি ১২ বছর বয়সের হেলপার দুলু চালাচ্ছিলেন। এ ঘটনার পর থেকে হেলপার দুলু ও চালক রাজন পলাতক রয়েছে।
এর প্রতিবাদে সব ধরণের পণ্য লোড-আনলোড বন্ধ করে দিয়েছে শ্রমিকরা। লোড-আনলোড চালু করতে মালিক পক্ষের সন্ত্রাসীরা তাদের বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি দেখাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন রুহল আমিন। এ ঘটনায় নিতাইগঞ্জ এলাকায় লোড-আনলোড শ্রমিকদের মাধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
লোড-আনলোড শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ও সিটি করপোরেশনের ১৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কামরুল হাসান মুন্না জানান, শ্রমিকদের কাজ পণ্য লোড-আনলোড করা। কিন্তু তাদের কাজের নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টি করা মালিকদের দায়িত্ব। ট্রাকচাপায় আল আমিন মারা গেছে। আমরা কারো লাশ নিয়ে রাজনীতি করতে চাই না। মালিকদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে আল আমিনের পরিবারের জন্য কি ব্যবস্থা করা যায় সেই চেষ্টা করা হচ্ছে।
নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মঞ্জুর কাদের ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।