প্রকাশকালঃ
শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৪
সস্পাদনায়
Unknown
শেষ রক্ষা হলনা !
স্থানীয় প্রতিনিধি: বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলা সদরের রেলওয়ে ষ্টেশনে ট্রেনে কাটা পড়ে মা আনিছা বেগম (৪৮) ও মেয়ে মুনজিলা বেগমের (২১) মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আনিছা বেগম দুপচাঁচিয়া উপজেলার আলতাব নগরের কোচপুকুরিয়া গ্রামের আনছার আলীর স্ত্রী।
স্থানীয় দুটি সূত্র জানায়, আদমদীঘি উপজেলার করজবাড়ী গ্রামের জনাব আলীর ছেলে জিয়াউল হোসেনের সঙ্গে দুপচাঁচিয়া উপজেলার আলতাব নগরের কোচপুকুরিয়া গ্রামের আনছার আলীর মেয়ে মুনজিলার বিয়ে হয়। বিয়ের প্রায় এক বছরের মাথায় শনিবার সকালে তাদের বিবাহ বিচ্ছেদের ঘটনা ঘটে। বিকেলে মুনজিলা তার মাসহ পরিবারের লোকজন আলতাব নগর যাওয়ার জন্য রেল ষ্টেশনে পৌছান।
বিকেল পৌনে ৪ টায় সান্তাহার থেকে রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেনটি ষ্টেশন এলাকায় পৌছালে মুনজিলা ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দেন। এ সময় মা আনিছা বেগম মুনজিলাকে বাঁচানোর চেষ্টা করলে তারা দু’জনই ট্রেনে কাটা পড়েন।
বগুড়া রেলওয়ে পুলিশের (জিআরপি) ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) বিমল কুমার এবং আদমদীঘি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) দুলাল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
শনিবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আনিছা বেগম দুপচাঁচিয়া উপজেলার আলতাব নগরের কোচপুকুরিয়া গ্রামের আনছার আলীর স্ত্রী।
স্থানীয় দুটি সূত্র জানায়, আদমদীঘি উপজেলার করজবাড়ী গ্রামের জনাব আলীর ছেলে জিয়াউল হোসেনের সঙ্গে দুপচাঁচিয়া উপজেলার আলতাব নগরের কোচপুকুরিয়া গ্রামের আনছার আলীর মেয়ে মুনজিলার বিয়ে হয়। বিয়ের প্রায় এক বছরের মাথায় শনিবার সকালে তাদের বিবাহ বিচ্ছেদের ঘটনা ঘটে। বিকেলে মুনজিলা তার মাসহ পরিবারের লোকজন আলতাব নগর যাওয়ার জন্য রেল ষ্টেশনে পৌছান।
বিকেল পৌনে ৪ টায় সান্তাহার থেকে রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেনটি ষ্টেশন এলাকায় পৌছালে মুনজিলা ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দেন। এ সময় মা আনিছা বেগম মুনজিলাকে বাঁচানোর চেষ্টা করলে তারা দু’জনই ট্রেনে কাটা পড়েন।
বগুড়া রেলওয়ে পুলিশের (জিআরপি) ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) বিমল কুমার এবং আদমদীঘি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) দুলাল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।