প্রকাশকালঃ
শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৪
সস্পাদনায়
Unknown
লিফট দেওয়ার নামে এক পুরুষকে গণধর্ষণ
অনলাইন ডেস্ক: সাধারনত আমরা নারী ধর্ষনের কথা শুনে থাকি। কিন্তু শিকাগোতে এর ঠিক ব্যতিক্রম একটি ঘটনা ঘটেছে। এবার গনধর্ষনের শিকার হয়েছে একজন পুরুষ। শিকাগোতে লিফট দেওয়ার নামে করে এক পুরুষকে গাড়িতে তোলেন দুই নারী। তার পর গাড়ির গতির সঙ্গে বাড়তে থাকে হেসে হেসে কথার মাত্রা। খুলতে থাকে কথার লাগাম। তার পরই হঠাৎ দুই নারীর একজন পিস্তল বের করে বলে-’চুপচাপ যা বলছি কর, নইলে বিপদ।’ প্রথমে আচোরন দেখে ছিনতাই এর চেষ্টা মনে হলেও পরক্ষনে ঐ যুবক বুঝতে পারে তার ইজ্জত ছিনতা্ই এর চেষ্টা করছে ওই দুই নারী! পরে ভদ্রলোককে অস্ত্র ঠেকিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগে ওই দুই নারীকে গ্রেফতার করেছে শিকাগো পুলিশ।
শিকাগো পুলিশ সূত্রে খবর, আটক দু’জনের মধ্যে এক জনের নাম সিয়েরা রস। তার দু’টি সন্তানও রয়েছে। অন্য জন তার বান্ধবী।
পুলিশ জানিয়েছে, ঐ দিন শিকাগোর উত্তর শহরতলীতে রাতে গাড়ি চালিয়ে ফিরছিলেন দুই বান্ধবী। সে সময় রাস্তা দিয়ে বছর ৩৩-এর এক ভদ্রলোক হেঁটে যাচ্ছিলেন। সিয়েরা তার সামনে গাড়ি দাঁড় করিয়ে লিফট লাগবে কিনা জিজ্ঞাসা করেন। ভদ্রলোকও সুবিধা বুঝে গাড়িতে উঠে পড়েন। কিছু দূর চলার পরই একটু ফাঁকা জায়গা দেখে কোমরে গোঁজা পিস্তল বের করে লোকটির দিকে তাক করে তাকে পিছনের সিটে গিয়ে বান্ধবীর সঙ্গে শারীরিক মিলন করতে বলেন সিয়েরা। তিনি রাজি না হলে মেরে ফেলার হুমকি দেন। অগত্যা তিনি পিছনের সিটে গিয়ে ‘হুকুম’ তালিমে লেগে পড়েন। কিছুক্ষণ বাদে ফাঁকা রাস্তায় একটি ট্যাক্সির দেখা পেয়ে সাহস করে নগ্ন অবস্থায় গাড়ির দরজা খুলে ট্যাক্সির সামনে গিয়ে সাহায্য চান সম্ভ্রম হারানো ওই ব্যক্তি। এর মধ্যে ধৃতরা গাড়ি চালিয়ে সেখান থেকে পালিয়ে যায়। কিন্তু ভদ্রলোক ট্যাক্সিচালকের কাছ থেকে মোবাইল চেয়ে গাড়ির নম্বর প্লেটের ছবি তুলে রাখেন। পরে থানায় গিয়ে ছবিটি দেখিয়ে সবিস্তারে পুলিশকে সব কিছু বলেন। পুলিশ নম্বর প্লেটের ছবি দেখে সিয়েরা রসের নাম পায়। খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, এর আগেও তিনি অবৈধ দেহ ব্যবসার অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছিলেন। বর্তমানে তিনি একটি পাবে ওয়েট্রেসের কাজ করেন। সশস্ত্র ডাকাতি এবং গণধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে।
