প্রকাশকালঃ
বুধবার, ১ অক্টোবর, ২০১৪
সস্পাদনায়
Unknown
বাড়ছে সিআইপি সংখ্যা: বাণিজ্যমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের বাণিজ্য ও রফতানি খাতে বিশেষ অবদানের জন্য বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের (সিআইপি) সংখ্যা বাড়ানো হবে। যাতে আরও বেশি ব্যবসায়ী স্বীকৃতি পায় বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।
বুধবার রাজধানীর রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে সিআইপি-২০১২ কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী।
সিনিয়র বাণিজ্য সচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে তোফায়েল বলেন, 'দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যবসায়ীরাই বেশি অবদান রাখছেন। তাদের স্বীকৃতি দিতে হবে। এ জন্য আরও বেশি ব্যবসায়ীদেরকে সম্মানিত করা হবে।'
অনুষ্ঠানে মোট ১৪৭ জন সিআইপির মধ্যে ১০১ জনকে রফতানিতে সিআইপি এবং ৪৬ জনকে ট্রেডে সিআইপি হিসেবে কার্ড দেওয়া হয়েছে। এবার ২২ টি পণ্য খাতের মধ্যে ১৮ টি পণ্য খাতে সিআইপি দেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, 'বাংলাদেশের অর্থনীতি সঠিক পথেই চলছে। অর্থনীতির সবগুলো সূচকই উর্ধ্বমুখী। বিশ্ববাণিজ্যে কঠিন সময়ের মাঝেও ব্যবসায়ীরা ব্যবসায় ভালো করছেন। পাকিস্তানের চেয়ে বাংলাদেশ রফতানিতে অনেক এগিয়ে আছে। এমনকি ভারতের চেয়ে নারীর ক্ষমতায়নে এগিয়ে রয়েছে।'
তোফায়েল আহমেদ ২০১২ সালের সিআইপি কার্ড দেরিতে দেওয়ার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, 'আগামী জুনের মধ্যে সিআইপি হালনাগাদ করা হবে। ২০১৩ ও ২০১৪ সালের সিআইপি দেওয়া হবে।'
এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি কাজী আকরাম উদ্দিন বলেন, 'ব্যবসায়ীদের সিআইপি কার্ড দিয়ে মূল্যায়ন করায় আরও ভাল কাজ করবে। যারা পায়নি তারাও পাওয়ার জন্য অনুপ্রানিত হবে।'
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মনোজ কুমার রায় বলেন, 'সিআইপি নীতিমালা করার কারণে কার্ড দিতে পিছিয়ে পড়েছেন। আগামীতে যথা সময়ে দেওয়ার চেষ্টা করবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।'
বুধবার রাজধানীর রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে সিআইপি-২০১২ কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী।
সিনিয়র বাণিজ্য সচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে তোফায়েল বলেন, 'দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যবসায়ীরাই বেশি অবদান রাখছেন। তাদের স্বীকৃতি দিতে হবে। এ জন্য আরও বেশি ব্যবসায়ীদেরকে সম্মানিত করা হবে।'
অনুষ্ঠানে মোট ১৪৭ জন সিআইপির মধ্যে ১০১ জনকে রফতানিতে সিআইপি এবং ৪৬ জনকে ট্রেডে সিআইপি হিসেবে কার্ড দেওয়া হয়েছে। এবার ২২ টি পণ্য খাতের মধ্যে ১৮ টি পণ্য খাতে সিআইপি দেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, 'বাংলাদেশের অর্থনীতি সঠিক পথেই চলছে। অর্থনীতির সবগুলো সূচকই উর্ধ্বমুখী। বিশ্ববাণিজ্যে কঠিন সময়ের মাঝেও ব্যবসায়ীরা ব্যবসায় ভালো করছেন। পাকিস্তানের চেয়ে বাংলাদেশ রফতানিতে অনেক এগিয়ে আছে। এমনকি ভারতের চেয়ে নারীর ক্ষমতায়নে এগিয়ে রয়েছে।'
তোফায়েল আহমেদ ২০১২ সালের সিআইপি কার্ড দেরিতে দেওয়ার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, 'আগামী জুনের মধ্যে সিআইপি হালনাগাদ করা হবে। ২০১৩ ও ২০১৪ সালের সিআইপি দেওয়া হবে।'
এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি কাজী আকরাম উদ্দিন বলেন, 'ব্যবসায়ীদের সিআইপি কার্ড দিয়ে মূল্যায়ন করায় আরও ভাল কাজ করবে। যারা পায়নি তারাও পাওয়ার জন্য অনুপ্রানিত হবে।'
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মনোজ কুমার রায় বলেন, 'সিআইপি নীতিমালা করার কারণে কার্ড দিতে পিছিয়ে পড়েছেন। আগামীতে যথা সময়ে দেওয়ার চেষ্টা করবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।'
