প্রকাশকালঃ
বুধবার, ১ অক্টোবর, ২০১৪
সস্পাদনায়
Abul Kalam Azad
আগামীকাল শুরু হবে হজ্বের মূল আনুষ্ঠানিকতা
বি২৪ নিউজ ডেস্ক: আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকে এহরাম বেঁধে লাব্বাইক, আল্লাহুম্মা লাব্বাইক ধ্বনিতে মক্কা থেকে মিনার উদ্দেশে রওনা দেয়ার মধ্য দিয়েই শুরু হবে এবারের হজ্বের মূল আনুষ্ঠানিকতা।
আজ বুধবার মক্কা থেকে মিনার উদ্দেশে রওনা হবেনবিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা প্রায় ২০ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসলমান । এ সময় পবিত্র মিনা লাখ লাখ মুসল্লির ‘লাব্বাইক, আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে প্রকম্পিত হয়ে উঠবে।
হাজিরা মিনায় পাঁচ ওয়াক্ত কসর নামাজ আদায় করবেন এবং শুক্রবার সকাল পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করবেন। শুক্রবার ফজরের পর তারা আরাফাতের উদ্দেশে যাত্রা করবেন।
শুক্রবার আরাফাতে হজের খুতবা শুনবেন এবং এক আজানে জুমা ও আসরের (জুহরাইন) নামাজ আদায় করবেন।
সন্ধ্যায় (সূর্যাস্তের পর) তারা মুজদালিফার উদ্দেশে আরাফাতের ময়দান ত্যাগ করবেন।
মুজদালিফায় পৌঁছে আবারো এক আজানে আদায় করবেন মাগরিব ও এশার নামাজ। সেখান থেকে জামারায় (প্রতীকী শয়তান) নিক্ষেপের জন্য কঙ্কর (ছোট পাথর) সংগ্রহ করবেন।মুজদালিফায় খোলা আকাশের নিচে রাতযাপনের পর ১০ জিলহজ (শনিবার) সকালে সূর্য উদয়ের পর জামারায় পাথর নিক্ষেপের জন্য রওনা দেবেন হাজিরা।
সূর্য পশ্চিম দিকে হেলে যাওয়ার আগে পূর্বে (দুপুরের আগে) জামারাতুল আকাবায় (বড় শয়তান) ৭টি পাথর নিক্ষেপ করবেন তারা। জামরাতুল আকাবায় পাথর নিক্ষেপের পর আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় হাজিরা পশু কোরবানি করবেন। এরপর মাথা মুণ্ডন করে এহরাম খুলে পোশাক পড়বেন হাজিরা। একে তাহাল্লুলে আসগর বলা হয়।
তারপর তাওয়াফে ইফাদা (কাবাঘর তাওয়াফ) এবং সায়ী (সাফা-মারওয়ায় সাত চক্কর) শেষ করে ফের মিনায় ফিরে যাবেন।
১১ ও ১২ জিলহজ (রোব এবং সোমবার) মিনায় অবস্থান করে সূর্য হেলে পড়ার পর প্রতিদিন ছোট, মধ্য ও বড় জামারায় পাথর নিক্ষেপ করে ১২ তারিখ সূর্যাস্তের পূর্বে মিনা ত্যাগ করবেন হাজিরা।
যারা ১২ তারিখ সূর্যাস্তের পূর্বে মিনা ত্যাগ করতে পারবেন না, তারা ১৩ তারিখ মঙ্গলবার সূর্যাস্তের পূর্ব পর্যন্ত মিনায় অবস্থান করবেন এবং জামারায় ১১ ও ১২ তারিখের মতো পাথর নিক্ষেপ করবেন।
এরপর বুধবার মক্কায় অবস্থান করে বিদায়ী তাওয়াফ সম্পন্ন করে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করবেন হাজিরা। আর যারা মদীনা জিয়ারত করবেন না তারা মদীনার উদ্দেশে মক্কা ত্যাগ করবেন।
বাংলাদেশ থেকে এ বছর সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৯৭ হাজার ৯৮৯ জন হজ পালন করবেন।
শুক্রবার আরাফাতে হজের খুতবা শুনবেন এবং এক আজানে জুমা ও আসরের (জুহরাইন) নামাজ আদায় করবেন।
সন্ধ্যায় (সূর্যাস্তের পর) তারা মুজদালিফার উদ্দেশে আরাফাতের ময়দান ত্যাগ করবেন।
মুজদালিফায় পৌঁছে আবারো এক আজানে আদায় করবেন মাগরিব ও এশার নামাজ। সেখান থেকে জামারায় (প্রতীকী শয়তান) নিক্ষেপের জন্য কঙ্কর (ছোট পাথর) সংগ্রহ করবেন।মুজদালিফায় খোলা আকাশের নিচে রাতযাপনের পর ১০ জিলহজ (শনিবার) সকালে সূর্য উদয়ের পর জামারায় পাথর নিক্ষেপের জন্য রওনা দেবেন হাজিরা।
সূর্য পশ্চিম দিকে হেলে যাওয়ার আগে পূর্বে (দুপুরের আগে) জামারাতুল আকাবায় (বড় শয়তান) ৭টি পাথর নিক্ষেপ করবেন তারা। জামরাতুল আকাবায় পাথর নিক্ষেপের পর আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় হাজিরা পশু কোরবানি করবেন। এরপর মাথা মুণ্ডন করে এহরাম খুলে পোশাক পড়বেন হাজিরা। একে তাহাল্লুলে আসগর বলা হয়।
তারপর তাওয়াফে ইফাদা (কাবাঘর তাওয়াফ) এবং সায়ী (সাফা-মারওয়ায় সাত চক্কর) শেষ করে ফের মিনায় ফিরে যাবেন।
১১ ও ১২ জিলহজ (রোব এবং সোমবার) মিনায় অবস্থান করে সূর্য হেলে পড়ার পর প্রতিদিন ছোট, মধ্য ও বড় জামারায় পাথর নিক্ষেপ করে ১২ তারিখ সূর্যাস্তের পূর্বে মিনা ত্যাগ করবেন হাজিরা।
যারা ১২ তারিখ সূর্যাস্তের পূর্বে মিনা ত্যাগ করতে পারবেন না, তারা ১৩ তারিখ মঙ্গলবার সূর্যাস্তের পূর্ব পর্যন্ত মিনায় অবস্থান করবেন এবং জামারায় ১১ ও ১২ তারিখের মতো পাথর নিক্ষেপ করবেন।
এরপর বুধবার মক্কায় অবস্থান করে বিদায়ী তাওয়াফ সম্পন্ন করে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করবেন হাজিরা। আর যারা মদীনা জিয়ারত করবেন না তারা মদীনার উদ্দেশে মক্কা ত্যাগ করবেন।
বাংলাদেশ থেকে এ বছর সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৯৭ হাজার ৯৮৯ জন হজ পালন করবেন।
