প্রকাশকালঃ
রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৪
সস্পাদনায়
Unknown
গরু মোটাতাজাকরন ফলাও করে প্রকাশ করছে মিডিয়া, প্রাণিসম্পদমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে গুটি কয়েক খামারি গরু মোটাতাজাকরণের সঙ্গে জড়িত। অথচ পত্রপত্রিকা একে বিশাল করে প্রকাশ করে দেয় বলে দাবি করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ সায়েদুল হক। রোববার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এলজিইডি ভবনে প্রাণী স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ক এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দেশে দৈনিক মাথাপিছু মাংসের চাহিদা ১২০ গ্রাম। সেই হিসেবে বছরে ৬কোটি ৭৩ লাখ মেট্রিক টন মাংসের প্রয়োজন। ২০২০-২০২১ সালে এর চাহিদা দাঁড়াবে ৬০ কোটি ৩০ লাখ মেট্রিক টন। দেশে বর্তমানে উৎপাদিত হচ্ছে ৪কোটি ৫২ লাখ মেট্রিক টন। সেই অনুপাতে মাথাপিছু উৎপাদন হচ্ছে ৮০ গ্রাম।’
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমাদের যেকোনো নিউজ আসে পত্রিকার ৩ থেকে ৪ নং পৃষ্ঠায়। কিন্তু একটু নেগেটিভ হলে তা পত্রিকার প্রথম পৃষ্ঠা জুড়ে প্রকাশ করা হয়। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘দেশে দু’চারটি খামার অবৈধভাবে মোটাতাজা করে। কিন্তু তা পত্রিকার প্রথম পাতায় ফলাও করে ছাপিয়ে দেয়া হয়।’
সভায় জানানো হয়- দেশে গবাদিপশুর উন্নয়ন ও পশুর হাট তদারকিতে ২ হাজার কর্মকর্তা ও ৪ হাজার কর্মচারী মনিটরিং কাজে নিয়োজিত রয়েছে। ঈদ উপলক্ষে ২০ লাখ গরু মোটাতাজাকরণের টার্গেট নিয়ে কাজ করছে অধিদপ্তর। এছাড়া সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে সভা সমাবেশ চলছে।
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অজয় কুমার রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলের র্যাব-২ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল আজাদ, কেন্দ্রীয় প্রাণিসম্পদ হাসপাতালের চিফ ভ্যাটেরিনারি কর্মকর্তা ডা. এবিএম সহিদুল্লাহ প্রমুখ।
মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দেশে দৈনিক মাথাপিছু মাংসের চাহিদা ১২০ গ্রাম। সেই হিসেবে বছরে ৬কোটি ৭৩ লাখ মেট্রিক টন মাংসের প্রয়োজন। ২০২০-২০২১ সালে এর চাহিদা দাঁড়াবে ৬০ কোটি ৩০ লাখ মেট্রিক টন। দেশে বর্তমানে উৎপাদিত হচ্ছে ৪কোটি ৫২ লাখ মেট্রিক টন। সেই অনুপাতে মাথাপিছু উৎপাদন হচ্ছে ৮০ গ্রাম।’
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমাদের যেকোনো নিউজ আসে পত্রিকার ৩ থেকে ৪ নং পৃষ্ঠায়। কিন্তু একটু নেগেটিভ হলে তা পত্রিকার প্রথম পৃষ্ঠা জুড়ে প্রকাশ করা হয়। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘দেশে দু’চারটি খামার অবৈধভাবে মোটাতাজা করে। কিন্তু তা পত্রিকার প্রথম পাতায় ফলাও করে ছাপিয়ে দেয়া হয়।’
সভায় জানানো হয়- দেশে গবাদিপশুর উন্নয়ন ও পশুর হাট তদারকিতে ২ হাজার কর্মকর্তা ও ৪ হাজার কর্মচারী মনিটরিং কাজে নিয়োজিত রয়েছে। ঈদ উপলক্ষে ২০ লাখ গরু মোটাতাজাকরণের টার্গেট নিয়ে কাজ করছে অধিদপ্তর। এছাড়া সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে সভা সমাবেশ চলছে।
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অজয় কুমার রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলের র্যাব-২ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল আজাদ, কেন্দ্রীয় প্রাণিসম্পদ হাসপাতালের চিফ ভ্যাটেরিনারি কর্মকর্তা ডা. এবিএম সহিদুল্লাহ প্রমুখ।
