প্রকাশকালঃ
রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৪
সস্পাদনায়
Abul Kalam Azad
পান্না হত্যায় ১ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৬ জনের যাবজ্জীবন
নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকার ধামরাই চর গ্রামের পান্না হত্যা মামলায় দায়ে একজনকে মৃত্যুদণ্ড ও ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।
আজ রবিবার ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এবিএম সাজেদুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন আবদুর রশিদ (পলাতক)। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল হাসান মোকসেদ, বিপ্লব (পলাতক), আসাদুজ্জামান ওরফে আসাদ, সিদ্দিকুর রহমান, রাজন (পলাতক) ও মনির। এ ছাড়া যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তদের ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ১ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। দোষী প্রমাণিত না হওয়ায় বাকি আসামিদের বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।
এ মামলায় বিভিন্ন সময় ট্রাইব্যুনালে ১৬ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন আবদুর রশিদ (পলাতক)। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল হাসান মোকসেদ, বিপ্লব (পলাতক), আসাদুজ্জামান ওরফে আসাদ, সিদ্দিকুর রহমান, রাজন (পলাতক) ও মনির। এ ছাড়া যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তদের ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ১ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। দোষী প্রমাণিত না হওয়ায় বাকি আসামিদের বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।
এ মামলায় বিভিন্ন সময় ট্রাইব্যুনালে ১৬ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ৬ মার্চ দুর্বৃত্তরা বংশী নদীর চরে নাজমুল হুদা পান্নাকে হত্যা করে।এ ঘটনার পর নিহতের স্ত্রী হাসু বেগম বাদী হয়ে ধামরাই থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। এই মামলায় ধামরাই থানাধীন চৌহাট ইউনিয়ন পরিষদের অপর চেয়ারম্যান প্রার্থী রফিকুল হাসান মোকসেদকে আসামি করা হয়।
