প্রকাশকালঃ
রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৪
সস্পাদনায়
Unknown
সারাদেশে পশুর হাটে মেডিকেল টিম থাকবে
নিজস্ব প্রতিনিধি: ঈদ-উল আযহা উপলক্ষে রাজধানীসহ সারাদেশের জেলা ও উপজেলায় পর্যায়ে পশুর হাটে মেডিকেল টিমের ব্যবস্থা থাকবে। এই টিমের সদস্যরা পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষাসহ ক্রেতা ও বিক্রেতাদের বিভিন্নভাবে সেবা প্রদান করবেন।
টিমের সদস্যদের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও সহযোগিতা করবে। এছাড়া স্টেরয়েড নিয়েও আতঙ্কের কিছু নেই।
রোববার দুপুরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের মিলনায়তনে গরু মোটাতাজাকরণ ও আসন্ন ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে স্বাস্থ্য সেবা প্রদান বিষয়ে আলোচনা সভা ও সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে এসব তথ্য জানানো হয়।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের উদ্যোগে আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ ছায়েদুল হক।
সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, পশুর শরীরে অতিরিক্ত স্টেরয়েড ব্যবহার হয়েছে কিনা তা পরীক্ষার করার জন্য যথেষ্ট যন্ত্রাংশ ও ব্যবস্থাপনা এই মুহূর্তে মন্ত্রণালয়ের নেই। তবে এটি ছাড়া সব ধরনের সেবা দেওয়া হবে পশুর হাটগুলোতে।
তিনি জানান, প্রতিটি হাটে বিশেষ করে বড় বড় হাটগুলোতে একটি নির্দিষ্ট জায়গায় ব্যানার নিয়ে প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের পক্ষ থেকে একটি টিম থাকবে। সেখানে ভেটেরিনারি চিকিৎসক থাকবেন। এখানে সব শ্রেণীর মানুষেরা সেবা নিতে পারবেন। রাজধানীতে হাট শুরু হলে কাজ শুরু করবেন টিমের সদস্যরা।
তিনি জানান, এছাড়া আজ (রোববার) থেকে জেলা ও উপজেলায় কর্মকর্তাদের টিমের মাধ্যমে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আলোচনা সভায় বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, পশুর ভেজাল ওষুধ প্রতিরোধ ও আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পারবেন একমাত্র প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের কর্মকর্তারা। কর্মকর্তাদের বাইরে এ বিষয়ে কেউ কোনো আইনি পদক্ষেপ নিতে পারবে না। তাই, কর্মকর্তাদের উচিত হবে নিজস্ব ক্ষমতাবলে পশুর ভেজাল ওষুধ প্রতিরোধ করা।
মোহাম্মাদ ছায়েদুল হক বলেন, একমাত্র মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় দেশের আমিষ চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি ডিম, দুধ, মাংসসহ বিভিন্ন খাদ্যের যোগান দিচ্ছে। আধুনিক পদ্ধতি অবলম্বন করে এই মোটাতাজাকরণ পদ্ধতি এ মন্ত্রণালয়ের বড় সফলতা।
তিনি জানান, বহুদিন থেকে এ মন্ত্রণালয় ডিপ স্লিপে আছে। সংশ্লিষ্ট সবাইকে জাগাতে হবে। জাতির উন্নয়নে কাজ করার দায়িত্ব আমাদের সবার। অতীতে অনেক নিয়োগ ও বদলি বাণিজ্য হয়েছে। কিন্তু এখন এসবের কোনো সুযোগ নেই।
সভায় বক্তারা স্টেরয়েড বিষয়ে বলেন, এটি নিয়ে কোনো আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। অনেকেই এ বিষয়ে একটু বেশি বলছেন। প্রকৃতপক্ষে পশুর খাদ্যে খুব বেশি অতিরিক্ত স্টেরয়েড ব্যবহার হয়নি।
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন অধিদফতরের মহাপরিচালক অজয় কুমার রায়। এসময় বিশেষ অতিথি ছিলেন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব আলী নুর, এআইজি আব্দুল আলীম, র্যাব-২ এর অধিনায়ক আবুল কালাম আজাদ।
এছাড়া সভার শুরুতে গরু মোটাতাজাকরণের পদ্ধতি, কৌশল, খাদ্যের পরিমাণসহ বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন প্রাণিসম্পদ হাসপাতালের প্রধান পশু চিকিৎসক এ বি এম শহীদ উল্লাহ। স্বাগত বক্তব্য দেন- অধিদফতরের সম্প্রসারণ পরিচালক আলমগীর সফিউল আলম।
টিমের সদস্যদের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও সহযোগিতা করবে। এছাড়া স্টেরয়েড নিয়েও আতঙ্কের কিছু নেই।
রোববার দুপুরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের মিলনায়তনে গরু মোটাতাজাকরণ ও আসন্ন ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে স্বাস্থ্য সেবা প্রদান বিষয়ে আলোচনা সভা ও সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে এসব তথ্য জানানো হয়।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের উদ্যোগে আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ ছায়েদুল হক।
সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, পশুর শরীরে অতিরিক্ত স্টেরয়েড ব্যবহার হয়েছে কিনা তা পরীক্ষার করার জন্য যথেষ্ট যন্ত্রাংশ ও ব্যবস্থাপনা এই মুহূর্তে মন্ত্রণালয়ের নেই। তবে এটি ছাড়া সব ধরনের সেবা দেওয়া হবে পশুর হাটগুলোতে।
তিনি জানান, প্রতিটি হাটে বিশেষ করে বড় বড় হাটগুলোতে একটি নির্দিষ্ট জায়গায় ব্যানার নিয়ে প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের পক্ষ থেকে একটি টিম থাকবে। সেখানে ভেটেরিনারি চিকিৎসক থাকবেন। এখানে সব শ্রেণীর মানুষেরা সেবা নিতে পারবেন। রাজধানীতে হাট শুরু হলে কাজ শুরু করবেন টিমের সদস্যরা।
তিনি জানান, এছাড়া আজ (রোববার) থেকে জেলা ও উপজেলায় কর্মকর্তাদের টিমের মাধ্যমে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আলোচনা সভায় বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, পশুর ভেজাল ওষুধ প্রতিরোধ ও আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পারবেন একমাত্র প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের কর্মকর্তারা। কর্মকর্তাদের বাইরে এ বিষয়ে কেউ কোনো আইনি পদক্ষেপ নিতে পারবে না। তাই, কর্মকর্তাদের উচিত হবে নিজস্ব ক্ষমতাবলে পশুর ভেজাল ওষুধ প্রতিরোধ করা।
মোহাম্মাদ ছায়েদুল হক বলেন, একমাত্র মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় দেশের আমিষ চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি ডিম, দুধ, মাংসসহ বিভিন্ন খাদ্যের যোগান দিচ্ছে। আধুনিক পদ্ধতি অবলম্বন করে এই মোটাতাজাকরণ পদ্ধতি এ মন্ত্রণালয়ের বড় সফলতা।
তিনি জানান, বহুদিন থেকে এ মন্ত্রণালয় ডিপ স্লিপে আছে। সংশ্লিষ্ট সবাইকে জাগাতে হবে। জাতির উন্নয়নে কাজ করার দায়িত্ব আমাদের সবার। অতীতে অনেক নিয়োগ ও বদলি বাণিজ্য হয়েছে। কিন্তু এখন এসবের কোনো সুযোগ নেই।
সভায় বক্তারা স্টেরয়েড বিষয়ে বলেন, এটি নিয়ে কোনো আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। অনেকেই এ বিষয়ে একটু বেশি বলছেন। প্রকৃতপক্ষে পশুর খাদ্যে খুব বেশি অতিরিক্ত স্টেরয়েড ব্যবহার হয়নি।
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন অধিদফতরের মহাপরিচালক অজয় কুমার রায়। এসময় বিশেষ অতিথি ছিলেন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব আলী নুর, এআইজি আব্দুল আলীম, র্যাব-২ এর অধিনায়ক আবুল কালাম আজাদ।
এছাড়া সভার শুরুতে গরু মোটাতাজাকরণের পদ্ধতি, কৌশল, খাদ্যের পরিমাণসহ বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন প্রাণিসম্পদ হাসপাতালের প্রধান পশু চিকিৎসক এ বি এম শহীদ উল্লাহ। স্বাগত বক্তব্য দেন- অধিদফতরের সম্প্রসারণ পরিচালক আলমগীর সফিউল আলম।