প্রকাশকালঃ
রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৪
সস্পাদনায়
Unknown
মোহাম্মদপুরে জাল টাকাসহ আটক-১
নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজধানীর মোহাম্মদপুরের আবুল কাশেম খাঁন সড়কের একটি বাড়ীর সামনের রাস্তা বিপুল পরিমাণ বাংলাদেশী ১ হাজার টাকা মূল্যমানের জাল নোটসহ একজনকে আটক করা হয়েছে। আটক জাল টাকা ব্যবসায়ী চক্রের ওই সদস্যের নাম মোহাম্মদ লিটন সরদার (২৪)। রবিবার দুপুর ২টার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব-২ এর অপারেশন অফিসার ও সহকারী পুলিশ সুপার মারুফ আহমেদ বলেন, রবিবার দুপুর ২টার দিকে মোহাম্মদপুর থানার আবুল কাশেম খাঁন সড়কের আবুল খাঁনের বাড়ীর সামনের রাস্তা থেকে বিপুল পরিমাণ বাংলাদেশী ১ হাজার টাকা মূল্যমানের জাল নোটসহ লিটন সরদার নামের এক জাল টাকা ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
র্যাব-২ এর অপারেশন অফিসার ও সহকারী পুলিশ সুপার মারুফ আহমেদ বলেন, রবিবার দুপুর ২টার দিকে মোহাম্মদপুর থানার আবুল কাশেম খাঁন সড়কের আবুল খাঁনের বাড়ীর সামনের রাস্তা থেকে বিপুল পরিমাণ বাংলাদেশী ১ হাজার টাকা মূল্যমানের জাল নোটসহ লিটন সরদার নামের এক জাল টাকা ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত লিটন জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশকে জানায়, জাল টাকা দুইভাবে মূদ্রণ করা হয়। ভালো মানের কাগজে আঠা ও সিকিউরিটি থ্রেড বসিয়ে ভাঁজ করা হয়। এরপর স্ক্যানার ও প্রিন্টিং মেশিনের সহায়তায় সূক্ষভাবে যে কোনও মূল্যের জাল টাকা তৈরি করা হয়।
এছাড়াও ওয়াশ পদ্ধতিতেও জাল নোট তৈরি করা হয়। এ ক্ষেত্রে আসল টাকার নোট ওয়াশ করে শুকানো হয়। পরে ওই নোটের ওপর টাকার অংক বসিয়ে ছাপ দেওয়া হয়। যেমন ১০০ টাকার নোট ওয়াশ করে সাদা করে তার ওপর ৫০০ টাকার অংক বসিয়ে বাজারে ছাড়া হয়।
আটক লিটন আরও জানান তিন ধাপে জাল টাকা বাজারে ছাড়া হয়। প্রথম ধাপে পাইকারী হিসেবে ১ লাখ টাকার একটি বান্ডিল ২৫-৩০ হাজার টাকায় বিক্রি হয়। ২য় ধাপে পাইকারি কারবারিরা আবার এসব টাকা খুচরা কারবারির কাছে ৪০-৪৫ হাজার টাকায় বিক্রি করে। ৩য় ধাপে খুচরা কারবাবিররা এসব টাকা নিজস্ব বাহিনীর মাধ্যমে তা সরাসরি সুকৌশলে ঢাকার লালবাগের কেল্লা মোড়, বাবুবাজার, আজিমপুর বাসস্ট্যান্ড, আজিমপুর গোরস্থান, গুলিস্থান ও কামরাঙ্গীচরসহ বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করে। অশিক্ষিত, অর্ধশিক্ষিত, বৃদ্ধ, দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের লোকেরাই হচ্ছে নোট জালকারীদের মূল টার্গেট।
গ্রেপ্তার মোহাম্মদ লিটন সরদার বরিশাল জেলার গৌরনদী থানার দক্ষিণ পশ্চিমপাড়া বাটাজোড় গ্রামের সিদ্দিক সরদারের ছেলে।
এছাড়াও ওয়াশ পদ্ধতিতেও জাল নোট তৈরি করা হয়। এ ক্ষেত্রে আসল টাকার নোট ওয়াশ করে শুকানো হয়। পরে ওই নোটের ওপর টাকার অংক বসিয়ে ছাপ দেওয়া হয়। যেমন ১০০ টাকার নোট ওয়াশ করে সাদা করে তার ওপর ৫০০ টাকার অংক বসিয়ে বাজারে ছাড়া হয়।
আটক লিটন আরও জানান তিন ধাপে জাল টাকা বাজারে ছাড়া হয়। প্রথম ধাপে পাইকারী হিসেবে ১ লাখ টাকার একটি বান্ডিল ২৫-৩০ হাজার টাকায় বিক্রি হয়। ২য় ধাপে পাইকারি কারবারিরা আবার এসব টাকা খুচরা কারবারির কাছে ৪০-৪৫ হাজার টাকায় বিক্রি করে। ৩য় ধাপে খুচরা কারবাবিররা এসব টাকা নিজস্ব বাহিনীর মাধ্যমে তা সরাসরি সুকৌশলে ঢাকার লালবাগের কেল্লা মোড়, বাবুবাজার, আজিমপুর বাসস্ট্যান্ড, আজিমপুর গোরস্থান, গুলিস্থান ও কামরাঙ্গীচরসহ বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করে। অশিক্ষিত, অর্ধশিক্ষিত, বৃদ্ধ, দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের লোকেরাই হচ্ছে নোট জালকারীদের মূল টার্গেট।
গ্রেপ্তার মোহাম্মদ লিটন সরদার বরিশাল জেলার গৌরনদী থানার দক্ষিণ পশ্চিমপাড়া বাটাজোড় গ্রামের সিদ্দিক সরদারের ছেলে।