প্রকাশকালঃ
বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৪
সস্পাদনায়
Unknown
কিশোরগঞ্জে ৫টি মণ্ডপের প্রতিমা ভাঙচুর
নিজস্ব প্রতিবেদক: কিশোরগঞ্জে ৫টি মণ্ডপের প্রতিমা ভাঙচুর করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পূজা উদযাপন নিয়েও তারা এখন শঙ্কিত।
বুধবার গভীর রাতের কোনো এক সময়ে বত্রিশ এলাকার নগুয়া বকুলতলা, অনির্বাণ সংঘ, নতুন পল্লী সংঘ, গোপাল ভবন ও হরিজন পল্লীর সার্বজনীন মণ্ডপে এ ভাঙচুর চালায় দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনার পর ওই এলাকাগুলোতে নিরাপত্তা জোড়দার করেছে প্রশাসন।
ভুক্তভোগীরা জানায়, দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে জেলার মণ্ডপগুলোতে দিনরাত প্রতিমা তৈরির কাজ করছে কারিগররা। বুধবার গভীর রাত পর্যন্ত মণ্ডপে কাজ করেন তারা। পরে বৃহস্পতিবার ভোরে মণ্ডপে এসে তারা দেখেন, বত্রিশ এলাকার নগুয়া বকুলতলা, অনির্বাণ সংঘ, নতুন পল্লী সংঘ, গোপাল ভবন ও হরিজন পল্লীর সার্বজনীন মণ্ডপের দুর্গা, অসুর, সিংহ, কার্তিক, গণেশসহ বিভিন্ন প্রতিমার মাথা, হাত, পা ভাঙা। তাদের ধারণা, ভোররাতে কে বা কারা নির্মাণাধীন প্রতিমগুলো ভেঙে ফেলে।
খবর পেয়ে পুলিশ ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
এ ঘটনা অত্যন্ত ন্যক্কারজনক উল্লেখ করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বিজয় শংকর রায়।
এ ব্যাপারে কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. আনোয়ার হোসেন খান বলেন, এ ঘটনার পর মণ্ডপগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
বুধবার গভীর রাতের কোনো এক সময়ে বত্রিশ এলাকার নগুয়া বকুলতলা, অনির্বাণ সংঘ, নতুন পল্লী সংঘ, গোপাল ভবন ও হরিজন পল্লীর সার্বজনীন মণ্ডপে এ ভাঙচুর চালায় দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনার পর ওই এলাকাগুলোতে নিরাপত্তা জোড়দার করেছে প্রশাসন।
ভুক্তভোগীরা জানায়, দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে জেলার মণ্ডপগুলোতে দিনরাত প্রতিমা তৈরির কাজ করছে কারিগররা। বুধবার গভীর রাত পর্যন্ত মণ্ডপে কাজ করেন তারা। পরে বৃহস্পতিবার ভোরে মণ্ডপে এসে তারা দেখেন, বত্রিশ এলাকার নগুয়া বকুলতলা, অনির্বাণ সংঘ, নতুন পল্লী সংঘ, গোপাল ভবন ও হরিজন পল্লীর সার্বজনীন মণ্ডপের দুর্গা, অসুর, সিংহ, কার্তিক, গণেশসহ বিভিন্ন প্রতিমার মাথা, হাত, পা ভাঙা। তাদের ধারণা, ভোররাতে কে বা কারা নির্মাণাধীন প্রতিমগুলো ভেঙে ফেলে।
খবর পেয়ে পুলিশ ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
এ ঘটনা অত্যন্ত ন্যক্কারজনক উল্লেখ করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বিজয় শংকর রায়।
এ ব্যাপারে কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. আনোয়ার হোসেন খান বলেন, এ ঘটনার পর মণ্ডপগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।