প্রকাশকালঃ
বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৪
সস্পাদনায়
Unknown
বাংলাদেশ এশিয়ার অর্থনৈতিক শক্তি হবেঃ মজীনা
স্থানীয় প্রতিনিধি: অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশ এশিয়ার অর্থনৈতিক শক্তিতে পরিণত হয়ে নিজেদেরকে রয়েল বেঙ্গল টাইগার হিসেবে প্রমাণ করবে এবং সোনার বাংলা গড়ে তুলবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজীনা।
তিনি বলেন, আপনারা কি পরবর্তী এশীয় শক্তি অর্জনে অর্থনৈতিক শক্তিতে পরিণত হতে চান, তাহলে বাংলাদেশকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আর তৈরি পোশাক শিল্পকে ভালোভাবে তদারকি করতে হবে।
তিনি বলেন, আপনারা কি পরবর্তী এশীয় শক্তি অর্জনে অর্থনৈতিক শক্তিতে পরিণত হতে চান, তাহলে বাংলাদেশকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আর তৈরি পোশাক শিল্পকে ভালোভাবে তদারকি করতে হবে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে চাঁদপুর সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে স্থানীয় সরকারি কর্মকর্তা, সুশীল সমাজের নেতা এবং সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়ে মজীনা এসব কথা বলেন।
মজীনা বলেন, অবকাঠামো তৈরিতে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। সুশাসনের জন্য যে চ্যালেঞ্জগুলো রয়েছে সেগুলো সঠিকভাবে মোকাবেলা করতে হবে। এখানে অর্থ কোন প্রশ্ন নয়, সব খানেই অর্থ রয়েছে। প্রশ্ন হচ্ছে, সিদ্ধান্ত নেয়ার এবং স্বদিচ্ছার।
মজীনা বলেন, অবকাঠামো তৈরিতে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। সুশাসনের জন্য যে চ্যালেঞ্জগুলো রয়েছে সেগুলো সঠিকভাবে মোকাবেলা করতে হবে। এখানে অর্থ কোন প্রশ্ন নয়, সব খানেই অর্থ রয়েছে। প্রশ্ন হচ্ছে, সিদ্ধান্ত নেয়ার এবং স্বদিচ্ছার।
বাংলাদেশ অবশ্যই সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে এমন আশা রেখে তিনি বলেন, ‘আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি বাংলাদেশ অদূর ভবিষ্যতে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে।’
তিনি বলেন, এ দেশটির হওয়া উচিৎ পরবর্তী এশীয় অর্থনৈতিক শক্তি। সবচেয়ে বেশি তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক দেশ। কারণ এখানে ঔষধ প্রস্তুত, ক্ষুদ্র জাহাজ, জুতা প্রস্তুত, চামড়াজাত পণ্য, সফ্টওয়ার তৈরি, পাট ও রেশম শিল্পে অপার সম্ভাবনা রয়েছে।
তিনি বলেন, এ দেশটির হওয়া উচিৎ পরবর্তী এশীয় অর্থনৈতিক শক্তি। সবচেয়ে বেশি তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক দেশ। কারণ এখানে ঔষধ প্রস্তুত, ক্ষুদ্র জাহাজ, জুতা প্রস্তুত, চামড়াজাত পণ্য, সফ্টওয়ার তৈরি, পাট ও রেশম শিল্পে অপার সম্ভাবনা রয়েছে।
বাংলাদেশ ঘনবসতি হলেও নিজেরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ দাবি করে রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘পৃথিবীর আর কোনো দেশ এমন নয়। এদেশে নিজেরা নিজেদের খাদ্য জোগান দিতে পারে। ভৌগলিক দিক থেকে এটি একটি উপহার। প্রেসিডেন্ট ওবামা যখন একবিংশ শতাব্দির বিশাল বাণিজ্যের কথা বলেন তখন মধ্য এশীয়া, দক্ষিণ এশীয়া, সিঙ্গাপুর, চীন এবং বিশ্বের সাথে বাংলাদেশ সংযুক্ত করবে। বাংলাদেশ ইশ্বরের উপহার।’
বাংলাদেশের বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরে মজীনা বলেন, ‘আমরা জানি বাংলাদেশের বন্দরটা খুবই ছোট। ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পৌঁছাতে খুব কষ্ট হয়। রেললাইন সিঙ্গেল লাইনে। গ্যাস যোগান কতো কম। বিদ্যুৎ ঘাটতি কি পরিমান। সুশাসনের কতো চ্যালেঞ্জ। দুর্নীতি, আইনের শাসনের কতো ঘাটতি। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা কতটুকু। আমলাতান্ত্রিক লাল ফিতা দৌরাত্ম্য। আমরা এসব চ্যালেঞ্জগুলোর কথাই জানি। কিন্তু ইশ্বর সবসময় বাংলাদেশকে ভালোবাসে। বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জগুলো এমন যে সবগুলো সমাধান করা যায়। অনেকে দেশ দেখেছি সেখানে সমস্যার সমাধান হয় না। কিন্তু বাংলাদেশে সম্ভব হয়।
বাংলাদেশের বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরে মজীনা বলেন, ‘আমরা জানি বাংলাদেশের বন্দরটা খুবই ছোট। ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পৌঁছাতে খুব কষ্ট হয়। রেললাইন সিঙ্গেল লাইনে। গ্যাস যোগান কতো কম। বিদ্যুৎ ঘাটতি কি পরিমান। সুশাসনের কতো চ্যালেঞ্জ। দুর্নীতি, আইনের শাসনের কতো ঘাটতি। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা কতটুকু। আমলাতান্ত্রিক লাল ফিতা দৌরাত্ম্য। আমরা এসব চ্যালেঞ্জগুলোর কথাই জানি। কিন্তু ইশ্বর সবসময় বাংলাদেশকে ভালোবাসে। বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জগুলো এমন যে সবগুলো সমাধান করা যায়। অনেকে দেশ দেখেছি সেখানে সমস্যার সমাধান হয় না। কিন্তু বাংলাদেশে সম্ভব হয়।
বাংলাদেশে শিশু মৃত্যুর হার কমেছে দাবি করে মজীনা বলেন, ‘আমেরিকার সাথে বাংলাদেশের অংশীদারিত্বে মাতৃমৃত্যু ও ৫ বছর বয়সী শিশু মৃত্যু কমেছে, পরিবারগুলো এমনভাবে গড়তে পারে যা তারা চায়। আমেরিকা এমনভাবে সাহায্য করছে যাতে বিশ্ব জলবায়ূর সাথে বাংলাদেশ খাপ খাইয়ে নিতে পারে। এমন অংশীদারিত্বে আমি অত্যন্ত গর্বিত।’
রাষ্ট্রদূত বলেন, আমি এ দেশের ৬৩ জেলা ঘুরে দেখেছি-জেনেছি, এ দেশ অনেক উন্নত। এদেশের আছে সবচেয়ে সমৃদ্ধ-উর্বর ভূমি। যা আমার নিজের রাজ্যেও নেই। অনেক পানি রয়েছে। বিশেষ করে এ চাঁদপুরে। এখানে এমন ভূমিও রয়েছে যেখানে বছরে ৪ বার ফসল জন্মায়।
রাষ্ট্রদূত বলেন, আমি এ দেশের ৬৩ জেলা ঘুরে দেখেছি-জেনেছি, এ দেশ অনেক উন্নত। এদেশের আছে সবচেয়ে সমৃদ্ধ-উর্বর ভূমি। যা আমার নিজের রাজ্যেও নেই। অনেক পানি রয়েছে। বিশেষ করে এ চাঁদপুরে। এখানে এমন ভূমিও রয়েছে যেখানে বছরে ৪ বার ফসল জন্মায়।
বাংলাদেশের জনগণই এদেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ বিষয়টি উল্লেখ করে মজীনা বলেন, ‘পৃথিবীর অনেক দেশে থেকেছি ও জেনেছি। কিন্তু এদেশের মানুষের মতো এতো কঠোর পরিশ্রমী লোক দেখিনি। যারা সৃষ্টিশীল, উদার ও উন্নত মানসিকতা সম্পন্ন। বাংলাদেশের মানুষ ইশ্বরের কাছ থেকে অফুরন্ত সম্পদ লাভ করেছে। যা দিয়ে সমৃদ্ধ দেশ গড়েছে।’
এর আগে দুপুরে তিনি চাঁদপুর শহরের মাতৃপীঠ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন। পরে এক ছাত্রী সমাবেশে যোগ দেন রাষ্ট্রদূত।
ছাত্রী সমাবেশে চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. নুরুল্লাহ নুরীর সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন, ইউএস এইড বাংলাদেশ মিশনের ডিরেক্টর জেনিনা জারুজেলেস্কি, চাঁদপুর-৫ আসনের এমপি ড. মোহাম্মদ শামছুল হক ভূঁইয়া, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কামরুল ইসলাম, মাতৃপীঠ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক উত্তম কুমার সাহা প্রমুখ।
বৃহস্পতিবার সকালে তিনি কচুয়া আশেক আলী উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজ পরিদর্শন করেন। এ সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর তাকে অভ্যর্থনা জানান। ড্যান মজিনা বিকেলে চাঁদপুর শহর রক্ষা বাধের মোলহেড এলাকায় পদ্মা-মেঘনা-ডাকাতিয়া নদীর সঙ্গমস্থলে সূর্যাস্ত পর্যবেক্ষণ করেন। সন্ধ্যায় চাঁদপুর জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
এর আগে দুপুরে তিনি চাঁদপুর শহরের মাতৃপীঠ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন। পরে এক ছাত্রী সমাবেশে যোগ দেন রাষ্ট্রদূত।
ছাত্রী সমাবেশে চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. নুরুল্লাহ নুরীর সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন, ইউএস এইড বাংলাদেশ মিশনের ডিরেক্টর জেনিনা জারুজেলেস্কি, চাঁদপুর-৫ আসনের এমপি ড. মোহাম্মদ শামছুল হক ভূঁইয়া, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কামরুল ইসলাম, মাতৃপীঠ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক উত্তম কুমার সাহা প্রমুখ।
বৃহস্পতিবার সকালে তিনি কচুয়া আশেক আলী উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজ পরিদর্শন করেন। এ সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর তাকে অভ্যর্থনা জানান। ড্যান মজিনা বিকেলে চাঁদপুর শহর রক্ষা বাধের মোলহেড এলাকায় পদ্মা-মেঘনা-ডাকাতিয়া নদীর সঙ্গমস্থলে সূর্যাস্ত পর্যবেক্ষণ করেন। সন্ধ্যায় চাঁদপুর জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যোগ দেন।