প্রকাশকালঃ
বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৪
সস্পাদনায়
Unknown
কুড়িগ্রামে দ্বিতীয় দফা বন্যা, ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দী
স্থানীয় প্রতিনিধি: ব্রহ্মপুত্র ও তিস্তা নদীর পানি কিছুটা কমলেও কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতি এখনোও অপরিবর্তিত রয়েছে। দ্বিতীয় দফা বন্যায় প্লাবিত হয়েছে জেলার ৯ উপজেলার ২০ ইউনিয়নের শতাধিক গ্রাম। আর এতে নতুন করে পানিবন্দী হয়ে পড়েছে ৫০ হাজার মানুষ।
বন্যার পানিতে ডুবে যাওয়ায় রৌমারীর সীমান্ত এলাকার ২৭ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাঠদান কার্যক্রমও বন্ধ হয়ে গেছে। এছাড়া পানির তীব্র স্রোতে ভেঙ্গে গেছে শিবেরডাঙ্গী বালিয়ামারী বেড়িবাঁধ। এতে দুই হাজার পরিবারের ঘরবাড়িতে ঢলের পানি প্রবেশ করেছে।
উপজেলা প্রশাসন বন্যা কবলিত মানুষের জন্য ১০ টন খয়রাতি চাল বরাদ্দ দিলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। ঢলের স্রোতে ভেসে গেছে রৌমারী, রাজিবপুর, রাজারহাট ও সদর উপজেলার দুই শতাধিক পুকুরের মাছ। বিচ্ছিন্ন হয়ে পরেছে রৌমারী-ঢাকা সড়কের যান চলাচল।
বন্যার পানিতে ডুবে যাওয়ায় রৌমারীর সীমান্ত এলাকার ২৭ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাঠদান কার্যক্রমও বন্ধ হয়ে গেছে। এছাড়া পানির তীব্র স্রোতে ভেঙ্গে গেছে শিবেরডাঙ্গী বালিয়ামারী বেড়িবাঁধ। এতে দুই হাজার পরিবারের ঘরবাড়িতে ঢলের পানি প্রবেশ করেছে।
উপজেলা প্রশাসন বন্যা কবলিত মানুষের জন্য ১০ টন খয়রাতি চাল বরাদ্দ দিলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। ঢলের স্রোতে ভেসে গেছে রৌমারী, রাজিবপুর, রাজারহাট ও সদর উপজেলার দুই শতাধিক পুকুরের মাছ। বিচ্ছিন্ন হয়ে পরেছে রৌমারী-ঢাকা সড়কের যান চলাচল।
