প্রকাশকালঃ
রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৪
সস্পাদনায়
Unknown
ধর্ষণ মামলার বাদীকে গলা কেটে হত্যা
স্থানীয় প্রতিনিধি: গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে ধর্ষন মামলার বাদী নূরজাহানকে গলা কেটে হত্যা করেছে আসামিরা। রোববার সকালে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ধর্ষিতা নূরজাহান গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার রাজাহার ইউনিয়নের মোহাম্মদ আলীর মেয়ে।
গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি জাহিদুল ইসলাম জানায়, সকালে ঘুম থেকে উঠতে দেরি হচ্ছে দেখে বাড়ির লোকজন ঘরের দরজা খোলা দেখে ঘরে ঢুকে দেখতে পায় নূরজাহানের লাশ পড়ে আছে বিছানায়। ঘটনার পরপরই ধর্ষক মঞ্জু মিয়াসহ তার বাড়ির লোকজন পালিয়ে যায়। চিৎকার শুনে গ্রামবাসীরা লাশ দেখে থানায় খবর দিলে পুলিশ লাশ মর্গে পাঠায়।
পুলিশের ধারণা ধর্ষণ মামলার আসামিরা তাকে জবাই করে হত্যা করতে পারে।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের মার্চ মাসে মঞ্জু মিয়া তার প্রতিবেশী মোহাম্মদ আলীর বাড়িতে রাতে যায়। সেখানে তার মেয়েকে (নুরজাহান) একা পেয়ে মুখ চেপে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।
এ ব্যাপারে ধর্ষিতা বাদী হয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলাটি গাইবান্ধায় আদালতে বিচারাধীন অবস্থায় আছে। দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষক প্রভাবশালী মঞ্জু মিয়া ও তার লোকজন মামলাটি মীমাংসার জন্য ধর্ষিতার বাবা মোহাম্মদ আলীকে চাপ দিয়ে আসছিল।
এ জন্য ধর্ষিতা নূরজাহানকে ৫০ হাজার টাকা দেয়ার লোভও দেখানো হয়। কিন্তু মামলা মীমাংসা করতে রাজি হয়নি। এতে আসামিরা ক্ষুদ্ধ হয়। এক পর্যায়ে ধর্ষক মঞ্জু মিয়া নূরজাহানের বাবা মোহাম্মদ আলীকে মামলা তুলে না নিলে হত্যার হুমকি দেন। এই নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে মনোমালিন্য চলে আসছিল। এরই জের ধরে আসামিরা শনিবার রাতে এ হত্যার ঘটনা ঘটায়।
গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি জাহিদুল ইসলাম জানায়, সকালে ঘুম থেকে উঠতে দেরি হচ্ছে দেখে বাড়ির লোকজন ঘরের দরজা খোলা দেখে ঘরে ঢুকে দেখতে পায় নূরজাহানের লাশ পড়ে আছে বিছানায়। ঘটনার পরপরই ধর্ষক মঞ্জু মিয়াসহ তার বাড়ির লোকজন পালিয়ে যায়। চিৎকার শুনে গ্রামবাসীরা লাশ দেখে থানায় খবর দিলে পুলিশ লাশ মর্গে পাঠায়।
পুলিশের ধারণা ধর্ষণ মামলার আসামিরা তাকে জবাই করে হত্যা করতে পারে।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের মার্চ মাসে মঞ্জু মিয়া তার প্রতিবেশী মোহাম্মদ আলীর বাড়িতে রাতে যায়। সেখানে তার মেয়েকে (নুরজাহান) একা পেয়ে মুখ চেপে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।
এ ব্যাপারে ধর্ষিতা বাদী হয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলাটি গাইবান্ধায় আদালতে বিচারাধীন অবস্থায় আছে। দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষক প্রভাবশালী মঞ্জু মিয়া ও তার লোকজন মামলাটি মীমাংসার জন্য ধর্ষিতার বাবা মোহাম্মদ আলীকে চাপ দিয়ে আসছিল।
এ জন্য ধর্ষিতা নূরজাহানকে ৫০ হাজার টাকা দেয়ার লোভও দেখানো হয়। কিন্তু মামলা মীমাংসা করতে রাজি হয়নি। এতে আসামিরা ক্ষুদ্ধ হয়। এক পর্যায়ে ধর্ষক মঞ্জু মিয়া নূরজাহানের বাবা মোহাম্মদ আলীকে মামলা তুলে না নিলে হত্যার হুমকি দেন। এই নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে মনোমালিন্য চলে আসছিল। এরই জের ধরে আসামিরা শনিবার রাতে এ হত্যার ঘটনা ঘটায়।