প্রকাশকালঃ
রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৪
সস্পাদনায়
Unknown
জাতিসংঘের উদ্দেশ্যে রাতে দেশ ত্যাগ করছেন প্রধানমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক: জাতিসংঘের ৬৯তম অধিবেশনে যোগ দিতে রোববার রাতে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার রাত সাড়ে ৮টায় অ্যামিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে নিউ ইয়র্কের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী।
দুবাইয়ে দুই ঘণ্টা যাত্রাবিরতির পর যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় সোমবার সকাল সাড়ে ৮টায় তার নিউ ইয়র্কে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
দশ দিনের এই সফরে আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বক্তৃতা দেবেন শেখ হাসিনা। ওই দিনই নিউ ইয়র্কে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে তার প্রথম বৈঠক হবে।
এছাড়া বেলারুশের প্রধানমন্ত্রী মিখাইল মিয়াসনিকোভিচ, কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি ও নেপালের প্রধানমন্ত্রী সুশীল কৈরালার সঙ্গেও দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসার কথা রয়েছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর।
শেখ হাসিনা ২৭ সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্ক সেন্ট্রাল পার্কে গ্লোবাল পোভার্টি প্রোজেক্ট আয়োজিত ‘বিশ্ব নাগরিক উৎসব’ এও বক্তৃতা করবেন, যা নিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা কাজ করছে।
প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচি শুরু হবে ২৩ সেপ্টেম্বর সকালে, জলবায়ু সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে। সেদিন রাতেই জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে আসা রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের সম্মানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামার দেয়া অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন শেখ হাসিনা।
পরদিন ২৪ সেপ্টেম্বর সকালে প্রধানমন্ত্রী যোগ দেবেন জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুনের দেয়া অভ্যর্থনা অনুষ্ঠান ও মধ্যাহ্নভোজে।
২৫ সেপ্টেম্বর কাতারের আমির ও নেপালের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ছাড়াও কমনওয়েলথ দেশগুলোর সরকার প্রধানদের সঙ্গে এক আলোচনা সভায় অংশ নেবেন শেখ হাসিনা।
২৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬৯তম অধিবেশনে বক্তব্য দেবেন বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী হাসিনা। সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষমাত্রার অগ্রগতি যাচাই করে ২০১৫ সাল-পরবর্তী নতুন লক্ষ্য নির্ধারণে এবারের অধিবেশনে আলোচনা করবে জাতিসংঘের সদস্য দেশগুলো।
২৯ সেপ্টেম্বর সকালে নিউ ইয়র্ক থেকে লন্ডনের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন শেখ হাসিনা। ১ অক্টোবর যুক্তরাজ্য থেকে রওনা হয়ে পরদিন সকালে দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।
নয়জন মন্ত্রী ও উপদেষ্টা ছাড়াও ৭৫ জন ব্যবসায়ী এই সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গী হচ্ছেন। ‘বিশিষ্ট ব্যক্তি’, সাংবাদিক ও সরকারের কর্মকর্তাদের নিয়ে এবার প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীর সংখ্যা দেড় শতাধিক।
দুবাইয়ে দুই ঘণ্টা যাত্রাবিরতির পর যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় সোমবার সকাল সাড়ে ৮টায় তার নিউ ইয়র্কে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
দশ দিনের এই সফরে আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বক্তৃতা দেবেন শেখ হাসিনা। ওই দিনই নিউ ইয়র্কে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে তার প্রথম বৈঠক হবে।
এছাড়া বেলারুশের প্রধানমন্ত্রী মিখাইল মিয়াসনিকোভিচ, কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি ও নেপালের প্রধানমন্ত্রী সুশীল কৈরালার সঙ্গেও দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসার কথা রয়েছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর।
শেখ হাসিনা ২৭ সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্ক সেন্ট্রাল পার্কে গ্লোবাল পোভার্টি প্রোজেক্ট আয়োজিত ‘বিশ্ব নাগরিক উৎসব’ এও বক্তৃতা করবেন, যা নিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা কাজ করছে।
প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচি শুরু হবে ২৩ সেপ্টেম্বর সকালে, জলবায়ু সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে। সেদিন রাতেই জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে আসা রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের সম্মানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামার দেয়া অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন শেখ হাসিনা।
পরদিন ২৪ সেপ্টেম্বর সকালে প্রধানমন্ত্রী যোগ দেবেন জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুনের দেয়া অভ্যর্থনা অনুষ্ঠান ও মধ্যাহ্নভোজে।
২৫ সেপ্টেম্বর কাতারের আমির ও নেপালের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ছাড়াও কমনওয়েলথ দেশগুলোর সরকার প্রধানদের সঙ্গে এক আলোচনা সভায় অংশ নেবেন শেখ হাসিনা।
২৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬৯তম অধিবেশনে বক্তব্য দেবেন বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী হাসিনা। সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষমাত্রার অগ্রগতি যাচাই করে ২০১৫ সাল-পরবর্তী নতুন লক্ষ্য নির্ধারণে এবারের অধিবেশনে আলোচনা করবে জাতিসংঘের সদস্য দেশগুলো।
২৯ সেপ্টেম্বর সকালে নিউ ইয়র্ক থেকে লন্ডনের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন শেখ হাসিনা। ১ অক্টোবর যুক্তরাজ্য থেকে রওনা হয়ে পরদিন সকালে দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।
নয়জন মন্ত্রী ও উপদেষ্টা ছাড়াও ৭৫ জন ব্যবসায়ী এই সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গী হচ্ছেন। ‘বিশিষ্ট ব্যক্তি’, সাংবাদিক ও সরকারের কর্মকর্তাদের নিয়ে এবার প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীর সংখ্যা দেড় শতাধিক।
