প্রকাশকালঃ
রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৪
সস্পাদনায়
Unknown
জামায়াতকে তুষ্ট করতেই খালেদা জিয়ার হরতাল
নিজস্ব প্রতিবেদক: আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ড. হাসান মাহমুদ বলেছেন, জামায়াতকে তুষ্ট করতেই বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া হরতাল ডেকেছে।
রোববার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদ আয়োজিত মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
আমৃত্যু দণ্ডাদেশ প্রাপ্ত জামায়াতের নায়েবে আমীর দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মুক্তি ও সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের দাবিতে জামায়াত ও বিএনপি জোটের আহুত হরতালের প্রতিবাদে এ মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
ড. হাসান মাহমুদ বলেন, ষোড়শ সংশোধনী বিল যেদিন সংসদে উঠলো সেদিন বিএনপি হরতাল ডাকেনি। যেদিন পাস হলো সেদিনও তারা নীরব। বিল পাসের পরের দিনও হরতাল দেননি খালেদা-ফখরুল। তা হলে আজ হরতাল কেন?
তিনি বলেন, মূলত জোটের ভাঙন ঠেকাতে, হতাশ নেতাকর্মীদের চাঙা করতে সর্বোপরি যুদ্ধাপরাধী সংগঠন জামায়াতকে তুষ্ট করতেই হরতাল ডেকেছেন খালেদা জিয়া।
বিএনপির চেয়ারপারসন এখনো যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচানোর চেষ্টা থেকে সরে আসেননি উল্লেখ করে হাসান মাহমুদ বলেন, ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের পর যে সব বিদেশি গণমাধ্যম আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা করেছিল, তারাই আজ বলছে বাংলাদেশে স্থিতিশীল অবস্থা বিরাজ করছে। খালেদা জিয়াকে ছেড়ে তার নেতারা চলে যাচ্ছেন। অর্থাৎ খালেদা জিয়ার পাশে এখন আর কেউ নেই। তিনি হতাশার মধ্যে আছেন।
বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক নেতারা দিনে ও রাতে আওয়ামী লীগের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন দাবি করে তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার সঙ্গে এখন আর কেউ থাকতে চাচ্ছেন না। তার জোট থেকে একেক করে শরিকরা বের হয়ে যাচ্ছেন। কেউ কেউ তাকে আল্টিমেটাম দিচ্ছেন। এ অবস্থায় কোনো গতি না দেখে এখন তিনি (খালেদা) জামায়াতকে তুষ্ট করতে তাদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে হরতাল দিচ্ছেন। তাতে কোনো লাভ হবে না। জামায়াতের হরতাল যেভাবে প্রত্যাখ্যান হয়েছে ২০ দলের হরতালও তেমনি ভাবে জনগণ প্রত্যাখ্যান হবে।
বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদের সভাপতি জিন্নাত আলী খান জিন্নাহ’র সভাপতিত্বে মানবন্ধনে বক্তব্য রাখেন- আওয়ামী লীগ নেতা সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, কৃষকলীগ নেতা এম আব্দুল করিম প্রমুখ।
আমৃত্যু দণ্ডাদেশ প্রাপ্ত জামায়াতের নায়েবে আমীর দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মুক্তি ও সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের দাবিতে জামায়াত ও বিএনপি জোটের আহুত হরতালের প্রতিবাদে এ মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
ড. হাসান মাহমুদ বলেন, ষোড়শ সংশোধনী বিল যেদিন সংসদে উঠলো সেদিন বিএনপি হরতাল ডাকেনি। যেদিন পাস হলো সেদিনও তারা নীরব। বিল পাসের পরের দিনও হরতাল দেননি খালেদা-ফখরুল। তা হলে আজ হরতাল কেন?
তিনি বলেন, মূলত জোটের ভাঙন ঠেকাতে, হতাশ নেতাকর্মীদের চাঙা করতে সর্বোপরি যুদ্ধাপরাধী সংগঠন জামায়াতকে তুষ্ট করতেই হরতাল ডেকেছেন খালেদা জিয়া।
বিএনপির চেয়ারপারসন এখনো যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচানোর চেষ্টা থেকে সরে আসেননি উল্লেখ করে হাসান মাহমুদ বলেন, ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের পর যে সব বিদেশি গণমাধ্যম আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা করেছিল, তারাই আজ বলছে বাংলাদেশে স্থিতিশীল অবস্থা বিরাজ করছে। খালেদা জিয়াকে ছেড়ে তার নেতারা চলে যাচ্ছেন। অর্থাৎ খালেদা জিয়ার পাশে এখন আর কেউ নেই। তিনি হতাশার মধ্যে আছেন।
বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক নেতারা দিনে ও রাতে আওয়ামী লীগের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন দাবি করে তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার সঙ্গে এখন আর কেউ থাকতে চাচ্ছেন না। তার জোট থেকে একেক করে শরিকরা বের হয়ে যাচ্ছেন। কেউ কেউ তাকে আল্টিমেটাম দিচ্ছেন। এ অবস্থায় কোনো গতি না দেখে এখন তিনি (খালেদা) জামায়াতকে তুষ্ট করতে তাদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে হরতাল দিচ্ছেন। তাতে কোনো লাভ হবে না। জামায়াতের হরতাল যেভাবে প্রত্যাখ্যান হয়েছে ২০ দলের হরতালও তেমনি ভাবে জনগণ প্রত্যাখ্যান হবে।
বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদের সভাপতি জিন্নাত আলী খান জিন্নাহ’র সভাপতিত্বে মানবন্ধনে বক্তব্য রাখেন- আওয়ামী লীগ নেতা সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, কৃষকলীগ নেতা এম আব্দুল করিম প্রমুখ।